ইরান যুুদ্ধের ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে বিশ্ব

০৩ মে ২০২৬, ০৬:১০ PM
উইন্ড মিল

উইন্ড মিল © সংগৃহীত

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ইরানের বিরুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত সামরিক লক্ষ্য অর্জনে এখনও সফল না হলেও, এটি বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব বা ক্লিন এনার্জির রূপান্তরকে অভাবনীয় গতিতে ত্বরান্বিত করছে। ট্রাম্প প্রশাসন যখন তেল ও গ্যাসের ওপর গুরুত্ব বাড়াতে চাইছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট দেশগুলোকে বিকল্প শক্তি খোঁজার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। খবর গার্ডিয়ানের

হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় এবং ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০টি দেশ ইতিমধ্যে জরুরি জ্বালানি সতর্কতা জারি করেছে। লাওস তাদের স্কুল সপ্তাহে কমিয়ে তিন দিন করেছে এবং নেপালের মতো দেশগুলো রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার অর্ধেক ভর্তি রাখার পরামর্শ দিচ্ছে। তবে এই সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল শক বা সংকটের স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেও, বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন। এখন খনিজ তেলের সস্তা বিকল্প হিসেবে সৌর, বায়ু এবং বৈদ্যুতিক শক্তি অনেক বেশি সহজলভ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বে ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৪৫ শতাংশ সড়ক পরিবহনে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমানে সহজেই বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউরোপে বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইবি) চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। গত মার্চে কন্টিনেন্টাল ইউরোপে ইভি-র চাহিদা গত বছরের তুলনায় ৫১ শতাংশ বেশি ছিল। রেনল্টের যুক্তরাজ্য প্রধান একে একটি ‘বিরাট পরিবর্তন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমাতে দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম এবং ভারতের মতো দেশগুলো দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। 

ভিয়েতনাম ইতিমধ্যে তাদের একটি বড় এলএনজি (এলএনজি) টার্মিনাল প্রকল্প বাতিল করে সেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে। ভারত গত দশকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছে এবং বর্তমানে তারা চীনের তুলনায় কম খনিজ জ্বালানি ব্যবহার করে উন্নয়নে নজর দিচ্ছে। অন্যদিকে, এই রূপান্তরের ফলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে চীন, যারা সোলার প্যানেল, ব্যাটারি এবং সস্তা বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ট্রাম্প যখন মধ্যপ্রাচ্যে বোমা বর্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তখন চীনের এই ‘ইলেক্ট্রো-স্টেট’ হয়ে ওঠাকে শক্তিশালী করা সম্ভবত তার উদ্দেশ্য ছিল না। বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের মতো এই সংঘাতও বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্যের বদলে নতুন এক জ্বালানি ও ভূ-রাজনৈতিক যুগের সূচনা করছে।

স্বল্পতম বহর নিয়ে স্বল্প সময়ের সফরে জাতিসংঘের পথে প্রধানমন্…
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ায় শ্বশুরকে হত্যা করলেন জামাই
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৈদ্যুতিক খুঁটিবাহী লড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারালেন যুবক
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্লু ইকোনমি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জা…
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাবা হারালেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই বিভাগের শিক্ষার্থী…
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬