মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বাংলাদেশিসহ ২৫০ অভিবাসীর ট্রলারডুবি, ব্যাপক প্রাণহানির শঙ্কা

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ AM
এআই দিয়ে তৈরি ছবি

এআই দিয়ে তৈরি ছবি © সংগ্রহীত

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে আন্দামান সাগরে আড়াই শতাধিক অভিবাসী নিয়ে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই এই ট্রলারটি উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় বলে জানাগছে। 

মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিখোঁজদের মধ্যে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন অভিবাসী প্রত্যাশী রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ বাংলাদেশি নাগরিক ও রোহিঙ্গা শরণার্থী। ৯ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধারের পর এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ছয়জন বাংলাদেশি এবং তিনজন রোহিঙ্গা। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ৯ এপ্রিল বিকেলে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় 'এমটি মেঘনা প্রাইড' নামক একটি বাংলাদেশি জাহাজ ভাসমান অবস্থায় ৯ জনকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত আটজন পুরুষ ও একজন নারীকে পরবর্তীতে কোস্ট গার্ডের টহল জাহাজ ‘মনসুর আলী’র কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ট্রলারটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের টেকনাফ উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। পথিমধ্যে আন্দামান সাগরে প্রচণ্ড বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঠিক কতজন বাংলাদেশি এতে ছিলেন বা আর কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না, তা এখনো সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

বিবৃতিতে সংস্থা দুটি উল্লেখ করেছে যে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা ও মানবিক সহায়তার অভাব রোহিঙ্গাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। সেখানে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ বাধ্য হয়ে এমন বিপজ্জনক সমুদ্রপথ বেছে নিচ্ছে। পাচারকারীরাও অসহায় মানুষকে ভালো জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

এই মানবিক বিপর্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম বিবৃতিতে বলেছে, “বাংলাদেশ যখন নতুন বছরকে বরণ করছে, তখন এই মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত হওয়ার মূল কারণগুলো দ্রুত সমাধান করা জরুরি। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি এবং রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধানের অভাবের এক ভয়াবহ পরিণতি।”

সংস্থা দুটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা যেন সংহতি জোরদার করে এবং অর্থায়ন অব্যাহত রাখে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে ফেরার পরিবেশ তৈরির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাশের হার ৩০%
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নতুন তালিকায় ৩৬ দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
পহেলা বৈশাখে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লুঙ্গি মিছিল’
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহি ৮ ট্যাঙ্কারের গতিপথ পরিবর্তনের দাবি
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ ভারতের সমস্যা আরো বাড়াবে?
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬