বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি © টিডিসি ফটো
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যদি যুদ্ধের নেতৃত্ব না দিতেন, স্বাধীনতার ঘোষণা যদি না করতেন, না ডাক দিতেন, তাহলে রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে বাংলার দামাল ছেলেরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন না। এবং স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া দুরূহ ছিল, কষ্টকর ছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়া থেকে আজকে পর্যন্ত যে ক্রাইসিস টাইম আমরা মোকাবিলা করেছি, প্রত্যেকটা ক্রাইসিসে জিয়া পরিবারের অংশগ্রহণ, অবদান, অর্জন ও দেশের মানুষের পাশে থাকা দৃশ্যমান।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে জেলা বিএনপির আয়োজনে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে অসহায়দের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি ও খাবার বিতরণ করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন থেকে এখন পর্যন্ত জিয়া পরিবারের অবদান যদি ব্যাখ্যায় যান, সারা বছরেও শেষ হবে না। স্বাধীনতার পর বিভক্তি-বিভাজন, দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি-দুঃশাসন ছিল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়া সিপাহি জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশটাকে নতুনভাবে গড়ার স্বপ্ন দেখালেন।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।