ট্রাম্পকে পেছনে ফেলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে গেলেন ভ্যান্স

২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৮ PM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যাডি ভ্যান্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যাডি ভ্যান্স © সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ক্ষমতার জানান দিতে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একের পর এক ভয়ংকর হামলায় ভীত নড়িয়ে দিচ্ছেন ইরানের। নিজেকে যুদ্ধবাজ হিসেবে প্রমাণ না করতে চাওয়া ট্রাম্প ইতোমধ্যেই পিছিয়ে পড়ছেন পরবর্তী মার্কিন নির্বাচনে। যেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যাডি ভ্যান্স। রবিবার (২৯ মার্চ) প্রকাশিত এক জরিপে এমনটাই জানিয়েছে কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সের (সি-প্যাক)। 

এ বছর নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সের (সি-প্যাক) স্ট্র পোল তথা জরিপে শীর্ষ স্থান দখল করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। দেশটির অন্যতম বৃহৎ ডানপন্থি সমাবেশে তার এই জয় বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। জরিপটি সব সময় নির্ভুল হয় না, তবে এ থেকে ধারণা করা যায়, পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে কে এগিয়ে থাকতে পারেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ বছরের চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ২০২৮ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারা কাকে পছন্দ করেন। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার মঞ্চে এই ফল ঘোষণা করা হয়। প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন অংশগ্রহণকারীর ভোটের মধ্যে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় পান ভ্যান্স।

তবে এই তালিকায় বেশ ওপরের দিকে উঠে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আরেকজন শীর্ষ কর্মকর্তা—পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ফ্লোরিডার সাবেক এই সিনেটর ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। রুবিওর জন্য এটি একটি বড় উন্নতি। কারণ, গত বছরের সি-প্যাক স্ট্র পোলে তিনি চতুর্থ স্থানে ছিলেন।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মাথায় গত বছর নেওয়া সেই পোলে দেখা গিয়েছিল, ভ্যান্স ৬১ শতাংশ সমর্থন পেয়েছিলেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন ১২ শতাংশ এবং ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস ৭ শতাংশ ভোট পান। রুবিও এবং প্রতিনিধি এলিস স্টেফানিক উভয়েই পেয়েছিলেন ৩ শতাংশ ভোট। বার্ষিক এই সম্মেলন সি-প্যাকের উপস্থিতিতে সাধারণত রাজনৈতিক কেন্দ্রের তুলনায় কট্টর ডানপন্থীদের প্রাধান্য বেশি থাকে।

এ বছরের সম্মেলনে বক্তাদের মধ্যে ছিলেন টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ, ইরানি বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি এবং ব্রাজিলের সাবেক উগ্র ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোর দুই ছেলে এদুয়ার্দো ও ফ্লাভিও বলসোনারো। উল্লেখ্য, ব্রাজিলের গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার চেষ্টার অভিযোগে গত সেপ্টেম্বরে জায়ের বলসোনারো কারারুদ্ধ হন। 

সাধারণত যখন হোয়াইট হাউসে কোনো রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট আসীন থাকেন, তখন সি-প্যাক পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে কে আসা উচিত, তা নিয়ে জরিপ করে না। তবে ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের আগে এবং পরে অনুষ্ঠিত স্ট্র পোলগুলো রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে। 

২০১৬ সালের নির্বাচনের আগের এক দশকে, যেবার ট্রাম্প প্রথমবারের মতো জয়ী হন, মডারেট রিপাবলিকান মিট রমনি এবং লিবার্টারিয়ান র‍্যান্ড পল ধারাবাহিকভাবে সি-প্যাক স্ট্র পোলে বিজয়ী হতেন।

তবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের পর থেকে তিনি সব প্রতিযোগীকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও ২০২১ সালের স্ট্র পোলে তিনি ৫৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে শীর্ষে ছিলেন। এরপর ২০২৪ সালে তাঁর পুনর্নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত প্রতিবছরই এই সমর্থনের হার বেড়েছে।

আমার রক্তের সম্পর্কের কেউ কখনও নির্বাচন করতে পারবে না: সাইয়…
  • ০১ জুন ২০২৬
চার যানবাহনের চতুর্মুখী সংঘর্ষে প্রাণ গেল নারীর, আহত ১০
  • ০১ জুন ২০২৬
ডায়াবেটিস থাকলেই আম খাওয়া নিষেধ নয়, মানতে হবে ৫ নিয়ম
  • ০১ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের আগেই প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল
  • ০১ জুন ২০২৬
এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে সজীব গ্রুপ, কর্মস্থল ঢাকা
  • ০১ জুন ২০২৬
৩ বন্ধু মিলে সিঁধ কাটলো অন্য বন্ধুর বাড়িতে, পরে চোরাই মালাম…
  • ০১ জুন ২০২৬