ভারতের উড়িষ্যা
ভারতের উড়িষ্যার জগৎসিংহপুরের তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে © আনন্দবাজার
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডেকে তরুণীকে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রেমিক। কিন্তু অভিযোগ, একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় তার। তারপর তরুণীকে ফেলে রেখে চম্পট দেন যুবক। সেখান থেকে কোনও রকমে স্থানীয় মূল রাস্তায় পৌঁছান ভুক্তভোগী। সেখানে বাড়িতে ফেরার জন্য বাসের অপেক্ষা করছিলেন। সে সময় ওই রাস্তা দিয়ে বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক। তাকে দেখে তিনি তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
অভিযোগ, ওই যুবকও তরুণীকে তাঁরে বাড়িতে না পৌঁছে দিয়ে নিজের বাড়ি নিয়ে যান। তারপর সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করেন। তরুণী বাধা দিতে গেলে পাঁচতলার ছাদ থেকে ঠেলে নীচে ফেলে দেন। পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন তরুণীর নিথর দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ভারতের উড়িষ্যার জগৎসিংহপুরের। এ ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জগৎসিহংপুরের পুলিশ সুপার অঙ্কিতকুমার বর্মা জানিয়েছেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি তরুণী বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর পরিকল্পনা ছিল তার। সেই মতো প্রেমিক তাঁকে একটি মন্দিরের সামনে যেতে বলেন। সেখানে বিয়ে করার কথা ছিল। তরুণী মন্দিরে পৌঁছানোর আগে থকেই তাঁর প্রেমিক অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু তরুণীকে বিয়ে না করে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করেন।
আরও পড়ুন: এক বছরে ৪০৩ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, বেশি হতাশা ও অভিমানে
তারপর রাহামা বাসস্ট্যান্ডের কাছে ফেলে দিয়ে পালান। সেখানে তরুণী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সে সময় ঝাড়খণ্ডের এক যুবক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি পারাদ্বীপের দিকে যাচ্ছিলেন। তরুণীকে অসহায় অবস্থায় দেখে নিজের বাইকে তুলে নেন। তারপর তাঁকে নিজের ভাড়া বাড়ির পাঁচতলায় নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। তারপর তাঁকে ফেলে দেন পাঁচতলা থেকে। এতে মৃত্যু হয় তার।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে তরুণী নিখোঁজ থাকায় তাঁর ভাই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনার নিন্দা করেছেন বিজেপি সুপ্রিমো তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। খবর: আনন্দবাজার