টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষকে পেটালেন রাবি অধ্যাপক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৭ PM
অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক এফ এম আলী হায়দার

অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক এফ এম আলী হায়দার © টিডিসি ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির অধিভুক্ত ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্সেসের অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে ওই অধ্যক্ষের কাছ থেকে নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে অধ্যাপকের সহকারীদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার মাসকাটাদিঘি এলাকায় ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্সেসের সেমিনারকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরের মতিহার থানায় অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান এ বিষয়ে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এতে অভিযুক্ত হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এফ এম আলী হায়দারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

থানায় দেওয়া অভিযোগে হাফিজুর রহমান উল্লেখ করেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এফ এম আলী হায়দার ও নাটোরের সিংড়ার মুকুল নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে চার-পাঁচজন বহিরাগত বেলা আড়াইটার দিকে ইনস্টিটিউটের সেমিনারকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে তখন পরিচালনা পর্ষদের সভা চলছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সভার রেজল্যুশন বইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনিয়ে নেন।

এতে বাঁধা দিলে পরিচালনা পর্ষদের সামনেই তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয়। আত্মরক্ষার জন্য তিনি (অধ্যক্ষ) সেমিনারকক্ষের বাইরে গেলে মুকুলসহ অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন আবার তাঁর ওপর চড়াও হন। তাঁরা অধ্যক্ষের জামার পকেটে এবং অফিস থেকে ইনস্টিটিউটের নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক এফ এম আলী হায়দার বলেন, ‘প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের কিছু নিয়ম নীতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ফরম ফিল আপের টাকা লেনদেনের জন্য অফিসিয়াল ফোন নাম্বারের পরিবর্তে তিনি তার ব্যক্তিগত ফোন নাম্বার ব্যবহার করেছেন। আমি ওই ইনন্সটিটিউটের একজন সদস্য, আমাকে না জানিয়ে গতকাল সভা করেছেন। এটা জানতে পেরে আমি সেখানে গিয়ে সব হিসেব দেখাতে বলি। এতে তিনি চটে গিয়ে আমাকে প্রথমে ধাক্কা দেয়। আমিও পরে ধাক্কা দেই।’

তিনি বলেন, ‘হাফিজুর একজন চিটার। শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাআপের সাড়ে ৫ লাখের বেশী টাকা আসার কথা, সেখানে তিনি জমা দিচ্ছেন ৪ লাখ টাকা। এর প্রতিবাদ করায় তিনি আমার ওপর আক্রমণ করেন।’

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এই ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সামনে পরীক্ষা। তাই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যসচিব হিসেবে সভায় তিনি আলোচ্য সূচি পড়ে শোনাচ্ছিলেন। এমন সময় আলী হায়দারসহ অন্যরা প্রবেশ করেন। ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই থেকে দুই বছরের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট অধ্যাপক এফ এম আলী হায়দারকে ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্সেসের অবৈতনিক পরিচালক থাকার অনুমতি দেয়। বর্তমানে তাঁর মেয়াদ শেষ হয়েছে। এ কারণে তিনি সভায় উপস্থিত থাকতে পারেন না এবং সভা বন্ধও করতে পারেন না।’

এ বিষয়ে নগরের মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলী বলেন, তিনি এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। বিষয়টি সমাধানে আমরা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসবো।

তারেক রহমানের সঙ্গে এডিটেড ও বিকৃতি ছবি প্রচার, ছাত্রদলের স…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে টেকনোর ‘স্পার্ক ৫০’ সিরিজ উন্মোচন
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপির মনোনয়ন চান দেশের তিন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
নির্বাচন হলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবার কথা ছিল, যে কারণে …
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বেইলি রোডে নাটক দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রো-ভিসি ছাড়াই চলছে যে ৯৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
close