ঢাবিতে মোবাইল কোর্ট: শিক্ষককে নয়, সহযোগীকে জরিমানা করা হয়েছিল

০৭ জুলাই ২০২১, ০৫:০৭ PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় © লোগো

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোমবার রাত আটটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ক্যাম্পাসে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। আধুনিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আইএমএল) সামনে ওই অভিযানের ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ তিনজনকে জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তি অনুসন্ধানে জানা যায়, জরিমানাকৃত ব্যক্তি দু'জনের কেউই ঢাবি শিক্ষক বা কর্মচারী ছিলেন না। বরং ওই ব্যক্তি অধ্যাপকের সহযোগিতার জন্য তার সাথে গিয়েছিলেন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সিনিয়র হাউস টিউটর এবং আইএমএলের একজন প্রফেসরের সাথে বের হয়ে ছিলেন এবং শিক্ষকের সবজি ব্যাগ বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, 'আমরা কিছু কাঁচা শাকসবজি কিনে নীলক্ষেত থেকে জিয়া হলে ফিরছিলাম। ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে বাইরে থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। আমি তাকে কারণ বলার পর আমাকে জরিমানা করা হয়। স্যার (অধ্যাপক) কিছুটা ফাঁকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বেশ বিব্রত বোধ করছিলেন। আমরা একটি শব্দও না বলে জরিমানা পরিশোধ করেছি। যদিও আশেপাশের বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে এসে ম্যাজিস্ট্রেটের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল।'

একজন শিক্ষার্থী বাধা দিয়ে বলেন, 'আপনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে জরিমানা করতে পারেন না।'

এ বিষয়ে ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেরীনা নাজনীন বলেন, আমরা একটি জাতীয় সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। উপযুক্ত কারণ ব্যতীত কেউ মন্ত্রিসভার নির্দেশনা অনুযায়ী বাইরে থাকতে পারবেন না। মাস্ক না পরার কারণে দুইজনকে ২০০ টাকা করে ও একজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেছি এবং তারা কেউই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী বা শিক্ষক ছিলেন না। আমার উদ্দেশ্য ছিল শুধু তাদের সচেতন করা।

তিনি আরও বলেছিলেন, 'কোনো আদালত অনুমতি নিতে বাধ্য নয়। আইন সব জায়গায় সমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি ও বিধিও আইনের উর্ধ্বে নয়।'

তবে জরিমানাকৃত ওই তিনজনের নাম জানা যায়নি। কোর্ট পরিচালনাকারী ওই ম্যাজিস্ট্রেটের নাম মেরীনা নাজনীন। এসময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদও উপস্থিত ছিলেন।

প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রাব্বানির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'ম্যাজিস্ট্রেট জরুরি অবস্থার সময়ে যে কোনো জায়গায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারেন। তবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে আদালত পরিচালনা করলে আরও ভাল হত। আমরা তাদের সহায়তা করতে পারতাম।'

প্রথম দিনেই দুর্ঘটনার কবলে পিংক বাস
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
স্কলারশিপে স্নাতক-স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ কানাডায়, করুন …
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ,…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
খালেদা জিয়ার দেখিয়ে দেওয়া গণতন্ত্রের পথেই বিএনপির পথচলা: রি…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
৭ দিনের মধ্যে প্রতিস্থাপন হচ্ছেন ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
কারিগরির ২১৮ জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টরের গ্রেডেশন তালিকা প্রকাশ, …
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬