সাত কলেজেও চালু হতে পারে ৮ মাসের শিক্ষাবর্ষ

২২ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৯ PM

© ফাইল ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় মাসের সেমিস্টার চার মাস এবং বছরভিত্তিক সেশনকে আট মাস করার আলোচনা চলছে। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই এ ধরনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঢাবির জন্য এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অধিভুক্ত সরকারি কলেজগুলোতেও সেটি প্রয়োগ করা হবে।

অধিভুক্ত সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, শিক্ষার্থীদের তো আমরা বসিয়ে রাখতে পারবো না। এমনিতে করোনার সর্বশেষ এ ঢেউয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের যে পরীক্ষাগুলো চলমান ছিল সেগুলোও স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া এর আগে থেকে তো সাত কলেজে সেশন জটিলতা নিয়েই এগোচ্ছে। আমরা সেটি কাটিয়ে উঠতে গিয়েও পারছি না।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সময় উপযোগী পরিকল্পনার কথা ভাবছে। আমরা এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বছরভিত্তিক সেশনকে আট মাস করা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে সাত কলেজেও আমরা সেটি কার্যকর করবো। এ বিষয়ে আমরা খেয়াল রাখছি। শুধু এটা না, করোনা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ঢাবি আরও যেসব পরিকল্পনা করবে তা সাত কলেজেও বাস্তবায়নে কাজ করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গতকাল বুধবার দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসে ‘৪ মাসে সেমিস্টার, ৮ মাসে সেশন শেষ করার পরিকল্পনা ঢাবির’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিবারই শুধুমাত্র তাদের নিজেদের শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে থাকেন। সাত কলেজ নিয়ে তাদের খুব একটা চিন্তা-ভাবনা করতে দেখা যায় না।

ঢাকা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম ফেসবুকে লিখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের জন্যও ৮ মাসে একটি সেশন শেষ করা হোক। যেহেতু আমাদের সেমিস্টার পদ্ধতি নেই; আমাদে ইয়ার পদ্ধতি। তাহলে আমাদেরও সেশনজটিলতা কমে আসবে।

ঢাবির নেয়া পরিকল্পনার বিষয়ে গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল জানিয়েছেন, করোনার কারণে চলমান সেশন জটিলতা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পরপরই আমরা আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো নিয়ে নেব। এ পরীক্ষাগুলোর ফলাফল অল্প সময়ের মধ্যে প্রকাশেরও প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর ছয় মাসের সেমিস্টার চার মাস এবং বছরভিত্তিক সেশনকে আট মাস করার একটি আলোচনাও চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মে মাসের শেষ দিকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সামনে এ বাকি সময়ের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে খুব দ্রুত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, যা করার খুব দ্রুত করতে হবে। যাতে করে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেই সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী কাজ করা সম্ভব হয়। এটাতে আমাদের সাত কলেজের জন্য সুবিধা হবে। ঢাবি সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তীতে আমরা আমাদের কলেজের জন্যেও কাজ করতে পারবো।

সদরঘাট ট্র্যাজেডি: দুই দিন পর মিরাজের লাশ উদ্ধার
  • ২০ মার্চ ২০২৬
বিদেশে প্রথমবারের ঈদ, স্মৃতি আর চোখের জলে ভরা মুহূর্ত
  • ২০ মার্চ ২০২৬
কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বছরে বিনামূল্যে ১০৭…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
'প্রত্যেকবার আমার জন্য বিপদে পড়তে হয়েছে এই মানুষটার'
  • ২০ মার্চ ২০২৬
শ্রমিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা: বেতন-বোনাসে স্বস্তির…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
দেশবাসীকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence