রাবির ভর্তি পরীক্ষা © সংগৃহীত
সম্প্রতি প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তুলনামূলকভাবে খারাপ হওয়ায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা কমানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। রবিবার (১ নভেম্বর) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রথম মিটিংয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতে বিষয়টি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন।
ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০-সহ মোট জিপিএ ৬.৫০ থাকতে হবে। যা গত বছরে ছিল মোট জিপিএ ৭.০০।
অন্যদিকে বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০-সহ মোট জিপিএ ৭.০০ থাকতে হবে। যা গত বছরে ছিল মোট জিপিএ ৭.৫০।
তবে 'বি' ইউনিটের (বাণিজ্য) বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে 'বি' ইউনিটের ক্ষেত্রেও যোগ্যতার শর্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক বেলাল হোসেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভর্তি উপকমিটির সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে ভর্তি কমিটি। সে অনুযায়ী, এবারের ভর্তি পরীক্ষা 'বি' ইউনিট (বাণিজ্য) দিয়ে শুরু হবে। ৮ জানুয়ারি 'বি' ইউনিট (বাণিজ্য), ৯ জানুয়ারি 'সি' ইউনিট (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি 'এ' ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগামী ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর আবেদন শুরু হবে।
যোগ্যতা শিথিলের বিষয়ে অধ্যাপক বেলাল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হোক তা আমরা চাই না। যেহেতু এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে, তাই ভর্তি কমিটি মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবেদন যোগ্যতা শিথিল করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০-সহ মোট জিপিএ ৬.৫০ এবং বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের ৩.৫০-সহ মোট জিপিএ ৭.০০ থাকতে হবে। 'বি' ইউনিটের (বাণিজ্য) বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে 'বি' ইউনিটের ক্ষেত্রেও যোগ্যতার শর্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত হতে পারে।
ভর্তি উপকমিটির সিদ্ধান্ত বহালের বিষয়ে তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার তারিখের বিষয়ে ভর্তি উপকমিটির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। সামনে ভর্তি কমিটির আরও মিটিং হবে। সেখানে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।