রাবিতে সংঘর্ষ; সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ

২৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৮ PM
শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা

শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা © টিডিসি ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) টিএসসিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে আতিকুর রহমান নামে এক সাংবাদিককে মারধর এবং তার মোবাইল ফোন থেকে ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

আতিকুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য এবং বাংলা ট্রিবিউনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

অভিযোগপত্রে আতিকুর রহমান বলেন, গতকাল রাত ১০টার দিকে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সময় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে লাঠিসোঁটা হাতে রবীন্দ্র ভবনের দিকে যেতে দেখেন তিনি। এ সময় তিনি মিছিলটির সামনে থেকে ভিডিও ধারণ করছিলেন।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, ভিডিও ধারণের কিছুক্ষণ পর ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ধরেন। তারা তার বিভাগ ও ভিডিও ধারণের কারণ জানতে চান। পরে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তাকে ভিডিও মুছে ফেলতে বলা হয়। তাদের চাপের মুখে তিনি ভিডিওটি মুছে দেন। এরপরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে ফোনে থাকা অন্যান্য ভিডিওও মুছে দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগপত্রে আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সাংবাদিক হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ঘটনা ও ভিডিও ধারণ করা তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ। দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়।

প্রক্টরের পক্ষ থেকে অভিযোগ পত্রটি গ্রহণ করেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং কমিটিকে তিন দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহে প্রক্টরিয়াল টিম কাজ করছে। তদন্তের অংশ হিসেবে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। তদন্তে প্রতিটি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই শেষে যারা দোষী সাব্যস্ত হবেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশজুড়ে টানা ১০ দিন ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
এক্সপ্রেসওয়েতে বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক…
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ড্র, কারা খেলবে, ড্রয়ের নিয়ম ও সূচি
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
ভাইরাল জ্বর নাকি নিউমোনিয়া, বুঝবেন কীভাবে
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
সাংবাদিকদের ওপর বিএনপি নেতার হামলা, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে…
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়তে পারে
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬