গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের কারণ ও নৈতিকতা নিয়ে সেমিনারের আয়োজন ইউটিএলের

০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৪ PM
ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারের উদ্যোগে ‘একাডেমিক পাবলিকেশন রিট্রাকশন: কারণ, ফলাফল এবং সতর্কতা’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন

ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারের উদ্যোগে ‘একাডেমিক পাবলিকেশন রিট্রাকশন: কারণ, ফলাফল এবং সতর্কতা’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন © টিডিসি ছবি

গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের কারণ, এর প্রভাব এবং গবেষণায় নৈতিকতা নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সেমিনার ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের সভাকক্ষে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারের উদ্যোগে ‘একাডেমিক পাবলিকেশন রিট্রাকশন: কারণ, ফলাফল এবং সতর্কতা’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করা হয়। 

সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, গবেষণাপত্র প্রত্যাহার মানেই গবেষণা জালিয়াতি নয়। অনিচ্ছাকৃত ভুল, তথ্যগত অসঙ্গতি বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও অনেক সময় গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হতে পারে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি অন পাবলিকেশন এথিক্স (COPE) গঠনের দাবি জানান তারা।

ইউটিএল চবি চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউটিএল চবি চ্যাপ্টারের সদস্যসচিব অধ্যাপক মো. ইব্রাহীম হোসেন।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান বলেন, গবেষণাপত্র প্রত্যাহার গবেষণায় স্বচ্ছতা, সততা ও মান বজায় রাখার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটি সবসময় ইচ্ছাকৃত অনিয়ম বা অসদাচরণের ফল নয়। তথ্যগত ভুল, পদ্ধতিগত ত্রুটি কিংবা অন্যান্য অনিচ্ছাকৃত কারণেও গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হতে পারে।

তিনি বলেন, অন্যের গবেষণার তথ্য অননুমোদিতভাবে ব্যবহার, তথ্য বিকৃতি ও প্লেজিয়ারিজমের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি ও নৈতিকতা নিশ্চিত করতে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কমিটি অন পাবলিকেশন এথিক্স (COPE) গঠন করা প্রয়োজন।

আলোচনায় শিক্ষক ও গবেষকেরা বলেন, কোনো গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হলেই সংশ্লিষ্ট গবেষককে চৌর্যবৃত্তির দায়ে অভিযুক্ত করা উচিত নয়। প্রথমে গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। পাশাপাশি গবেষণা নৈতিকতা বিষয়ে নিয়মিত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও প্রশিক্ষণের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষক-গবেষকদের সচেতনতা বাড়াতে হবে।

সেমিনারে ইউটিএলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও চবি ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী বরকত আলী, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, ড. মো. আশরাফ, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রাশেদা চৌধুরী, অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেরাজ উদ্দিন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল বাশারসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জমকালো আয়োজনে নবীনদের বরণ করে নিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
মেধার পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হতে হবে: ইউজিসি চে…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
রুয়েটের জমি পুনরুদ্ধারে দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
এনসিপি-কওমি ছাত্রদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি—শিল্পকলায় কোনো প…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
এআই ব্যবহার করে রায় লেখা যাবে না: প্রধান বিচারপতি
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ …
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬