শেখ মুজিবুর রহমান হল © সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলসমূহে সেবা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসের তত্ত্বাবধানে একটি সমন্বিত সেন্ট্রাল অনলাইন হল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হল-সংক্রান্ত বিভিন্ন ফি অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আর প্রথম হল হিসেবে অনলাইন পেমেন্ট চালু করেছে শেখ মুজিবুর রহমান হল।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস থেকে প্ররিত অনলাইন ভর্তি কমিটি আহ্বায়ক অধ্যাপক ড মো শরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ জানানো হয়।
অনলাইন ভর্তি কমিটির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে হল-সংক্রান্ত ফি অনলাইনে গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ওই ব্যবস্থার আওতায় নতুন অনলাইন সেবা সংযোজন করা হয়েছে। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ( অনার্স) প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের হল উন্নয়ন ফি সেন্ট্রাল অনলাইন সেবা ব্যবস্থার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে শেখ মুজিবুর রহমান হলের ফিসমূহও অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হলের হাউজ টিউটর ড. মো খোরশেদ আলম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ বা স্মার্ট বাংলাদেশের স্লোগান শুনতাম, তখন অবশ্যই সেগুলোকে প্রকৃত অর্থে কাজের রূপান্তরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রক্রিয়াগ ধীরে ধীরে ডিজিটাল করা দরকার ছিল। আমি মনে করি, পুরোনো ম্যানুয়াল সিস্টেম পরিবর্তন করে বিশ্ববিদ্যালয় যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটাকে আমি সাধুবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনলাইন প্রেমেন্ট বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজে ফি পরিশোধ করতে পারবে এবং হল প্রশাসন সংশ্লিষ্ট আবেদনসমূহ যথাযথভাবে অনলাইনে যাচাই ও অনুমোদন প্রদান করতে সক্ষম হবে এবং আগের পে-ইন-স্লিপনির্ভর ব্যাংকিং পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীর সব প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে ডিজিটাল হওয়া দরকার। তাতে ভোগান্তি কমবে, কাজগুলো দ্রুততর হবে ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারে।
উল্লেখ্য, প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে অনলাইনে হলের ফি প্রদান করেন শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২০২৩-২৪ সেশনের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রেহান উদ্দিন।