শিক্ষার্থীরা উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড সায়মা হক বিদিশাকে স্মারকলিপি দেন © টিডিসি ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-মেইল ভেরিফিকেশন ও কল রিসিভসংক্রান্ত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ব-চেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম।।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো উপাচার্য ( প্রশাসন) অধ্যাপক ড সায়মা হক বিদিশা ও রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মেদ বরাবর আমন্ত্রণ পত্র দেন তারা।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি আগামী ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের কীভাবে ই-মেইল এবং কল রিসিভ করতে হয়, জবাব দিতে হয় সেই দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের মান ও সেবার গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত এবং সনদপত্র যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত ফি বিষয়ে পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
এ বিষয়ে আয়োজকদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী অর্ক বড়ুয়া বলেন, ‘সম্প্রতি উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করা এক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সুইডেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো ই-মেইল ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় জটিলতার সৃষ্টি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি অস্পষ্ট স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়, যেটা শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রশাসনের উদাসীনতার ইঙ্গিত।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যখন উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করে সেসময় বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে তথ্য ভেরিফিকেশনের জন্য মেইল পাঠানো হয়। তবে কিন্তু আমরা দেখলাম ঢাবি প্রশাসন অনেক সময় এসব মেইলের রেসপন্সই করেনা। একই সাথে সেটার জাস্টিফিকেশন দিয়ে বিবৃতি প্রদান করে।’
আর্ক আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় যে-কোনো সমস্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের গেলে নানা হয়রানির শিকার হয়, সেসবের একটি প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে আমরা কালকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করছি।’
উল্লেখ সম্প্রতি ভেরিফিকেশন ফি’র কারণে দুইজন শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। উক্ত শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিবৃতিও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।