ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

হলে থাকতে মাস্টার্সে ফেল করার অভিযোগ, নীতিমালার পরামর্শ ডাকসু জিএসের

২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৮ PM , আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ PM
ঢাবিতে আলোচনা সভা

ঢাবিতে আলোচনা সভা © জনসংযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেছেন, গত ১৫ বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আবাসিক হলে একটি সিট পাওয়া মানে ছিল স্বাধীনতা। হলে একটি সিট পাবে, এটা আমাদের একটি বড় স্বাধীনতার জায়গা ছিল। আমি একটু খেতে পারব, এটা আমাদের বড় স্বাধীনতার জায়গা ছিল। তবে ৫ আগস্টের পর সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। যেখানে সাবেক শিক্ষার্থীরা হল থেকে বের হয়ে গিয়েছে এবং নতুনরা সিট পেয়েছে। কোন কোন জায়গায় নতুনরা সিঙ্গেল সিটও পেয়েছে। সম্প্রতি আবারও জট পাকা শুরু হয়েছে। পুরানো ব্যাচগুলো বের হয়ে যায়নি।

আজ রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় ডাকসু জিএস অভিযোগ করে বলেন, হলে থাকতে মাস্টার্সে ভর্তি না হওয়া, কয়েকটা বিষয় ইচ্ছাকৃত ফেল করছে শিক্ষার্থীরা। ফলে কয়েক বছর বেশি হলে থাকছে তারা। এটা রোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তিনি নীতিমালার পরামর্শ দিয়েছেন।

এস এম ফরহাদ বলেন, প্রত্যেকটা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সেশন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা হলে থাকবে। সেশন ওয়াইজও থাকতে পারে। এটা আমার প্রস্তাবনা। আরো প্রস্তাবনা আসতে পারে। বারবার জট পেকে যাওয়া।

‘‘এটা একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে যে, আমি মাস্টার্স (ভর্তি না হয়ে) আবার করব, আবার করব, আমি ফেল করব। আমি দুইটা পরীক্ষা দিব না। আমি হলে থেকে যাব—এ ধরনের প্রবণতা কোন সিস্টেম ডেভেলপ করলে বারবার মাস্টার্সে রয়ে যাওয়ার প্রবণতা। বারবার একটা সাবজেক্ট রিঅ্যাড দিয়ে, পরীক্ষা না দিয়ে—হলে বৈধভাবে থেকে যাওয়ার যে প্রবণতা এটাকে কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায় বা একটা সিস্টেম ডেভেলপ করা উচিত। নয়তো এখন সদ্য নবীন শিক্ষার্থীরা আসছে। তারা আশা করছে সিট পাবে। কিন্তু বাস্তবে তারা অনেকগুলো শিক্ষার্থী সিট পাবে না। কারণ ওই যে অনেকেরই অলরেডি পাঁচ বছর হয়ে গেছে, ছয় বছর হয়ে গেছে, সাত বছর হয়ে গেছে—এখনো হলে থেকে গেছে।’’

তিনি বলেন, বছরের পর বছর থেকে যাওয়ারা বৈধভাবে একটি প্রক্রিয়া মেনটেইন করে। তো আমার মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কাছে একটা নীতিমালা আসা উচিত যে, অমুক সেশনে ভর্তি হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছর বা ছয় বছর পর্যন্ত হলে থাকতে পারবে। এরপরে সে শিক্ষাজীবন শেষ করুক বা না করুক তাকে চলে যেতে হবে। অথবা অন্য বিকল্প কোনো নিয়ম। যার মধ্য দিয়ে আমার বিশ্বাস, হলে যে পরিমাণ সক্ষমতা আছে, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলে প্রত্যেকটা শিক্ষার্থী এখনো হলে থাকতে পারবে। এখনও হলে থাকতে পারবে। এই সুযোগ সক্ষমতা আমাদের আছে। যেটা আমরা জুলাই পরে প্রমাণ পেয়েছি।

পাবনায় ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুলের প্যারেন্টিং কনফারেন্স অনু…
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
কুবি শিক্ষার্থী-পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লব: জেনারেল জিয়া থেকে জনতার জিয়া
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
চুরি করতে এসে ধাওয়া খেয়ে নারিকেল গাছের মাথায় চোর, নামাতে বি…
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ভবন দখলের হুমকির পর জাবি ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা বহিষ্কার
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাবি ভিসির জাপান-কোরিয়া সফরে যত অর্জন
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950