উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানকে স্মারকলিপি দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্যরা © টিডিসি
পাহাড়ি আদিবাসীদের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, সানগ্রাইন, সাংক্রান, চাংক্রান উপলক্ষে আগামী ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা এবং ওই দিনগুলোকে ছুটি হিসেবে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে যুক্ত করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বরাবর দুই দফা দাবি-সংবলিত স্মারকলিপি জমা দেয় আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার।
রবিবার (৮ মার্চ) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে উপাচার্যের অফিসে এ স্মারকলিপি জমা দেয় তারা।
স্মারকলিপি দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের আদিবাসী শিক্ষার্থী সুরমি চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কয়েক বছর ধরে আবেদন করে আসছি যাতে এই সময়টাতে ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধ রাখা হয় এবং অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরও আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যেসব বিভাগে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা আছে, সেখানে পরীক্ষা শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু এই বছর আবারও আবেদন করতে হচ্ছে। কারণ, ১২ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে অনেকের পরীক্ষা ও ক্লাস পড়ে গিয়েছে। আমরা চাই এ সময়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে ছুটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। যাতে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের অন্যতম সামাজিক এ উৎসব উদযাপন করতে গিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা কোনো কিছু থেকে আমরা বঞ্চিত না হই ।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স ডিপার্টমেন্টের আদিবাসী শিক্ষার্থী উসাইন মারমা বলেন, ‘গত বছর ভিসি (উপাচার্য) স্যার আমাদের পরীক্ষার ছুটিটা শিথিল করেছিলেন। প্রতিবছর যেভাবে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীদের ছুটির ব্যবস্থা করা হয়, বিশেষ করে বাঙালিদের যে ঈদসহ নানান ছুটি তারা পায়, এটাও যেন আমাদের প্রাপ্য হয়।’