ঢাবিতে কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের শাস্তি দিতে ডিনের চিঠি

১৬ মার্চ ২০২৪, ১১:১৭ PM , আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫১ PM
ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির

ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির © ফাইল ছবি

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বটতলায় কোরআন তেলাওয়াত বিষয়ক অনুষ্ঠান যেসব শিক্ষার্থী আয়োজন করেছে, তাদের কেন শাস্তি প্রদান করা হবে না সে বিষয়ে জবাব চেয়ে আরবি বিভাগের চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মার্চ) আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জুবায়ের মোহাম্মদ এহসানুল হক বরাবর এই চিঠিটি প্রেরণ করেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির।

জানা যায়, কোরআন তেলাওয়াত আয়োজনকারী সংগঠন আরবি সাহিত্য পরিষদ নামে পরিচিত। কিন্তু এটি আরবি বিভাগের অফিসিয়াল কোনো সংগঠন নয়। সংগঠনটি গত ১০ মার্চ বটতলায় কোরআন তেলাওয়াত মাহফিল আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: ঢাবির বটতলায় কুরআন তেলাওয়াতের আসর, আগতদের টুপি বিতরণ

এই আয়োজনের আগে ডিন এবং প্রক্টরের থেকে অনুমতি না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের ব্যাঘাত ঘটেছে বলে দাবি করে আরবি বিভাগের চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠিয়েছেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির। চিঠিতে শিক্ষার্থীরা অনুমতি না নিয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করায় তাদেরকে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না, এই মর্মে আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জুবায়ের মোহাম্মদ এহসানুল হকের জবাব চাওয়া হয়।

জানতে চাইলে অধ্যাপক আবদুল বাছির দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন,  গত ১০ মার্চ বটতলায় যে প্রোগ্রামটা হয়েছে সেটার ব্যাপারে আমাদের কাছ থেকে কোনোরকম অনুমতি নেওয়া হয়নি এবং আমরাও অবহিত নই।  আমি জানার পর বিভাগের চেয়ারম্যানকে ছবি দেখিয়েছি এবং বলেছি এরা আপনার বিভাগের কি না। কিন্তু চেয়ারম্যান আমাকে বলেছেন এদেরকে তিনি চেনেন না। এমনকি আরবি সাহিত্য পরিষদ নামে বিভাগের কোনো সংগঠনই নেই।

অনুমতি না নিয়ে অনেক প্রোগ্রাম হয় সেক্ষেত্রে সমস্যা না থাকলেও এবার কেন সমস্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলে আমরা ছাড় দেই কিন্তু এ ক্ষেত্রে তারা আমাদের শিক্ষার্থী কিনা এ ব্যাপারে আমাদের এখনও সন্দেহ আছে। 

তাহলে আরবি বিভাগের শিক্ষককে চিঠি কেন দেওয়া হয়েছে, এ ব্যাপারে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেন নি।

তবে তারা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হন সেক্ষেত্রে প্রোগ্রাম করতে পারবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন সেক্ষেত্রে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি না তবে তাদেরকে অনুমতি নিতে হবে।

তবে আরবি বিভাগের চেয়ারম্যানের কথা মতে, শিক্ষার্থীরা যে আরবি বিভাগের না আব্দুল বাছিরের এমন তথ্য অস্বীকার করেছে আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান জুবায়ের এহসানুল হক। তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ডিন সাহেব আমাকে এমন ছবি দেখিয়েছে যেটি পেছন থেকে তোলা যেখানে কোনো মুখ দেখা যাচ্ছে না। ফলে আমি স্যারকে বলি যে এই ছবি দেখে আমার শিক্ষার্থীদের চেনা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সেখানে আমার বিভাগের শিক্ষার্থীরা নেই সেটা আমি বলিনি। তবে আরবি সাহিত্য পরিষদ নামে বিভাগ অনুমোদিত কোনো সংগঠন নেই এটাও সত্য। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সংগঠন থাকতে পারে। সেখানে বিভাগের অনুমোদন থাকতে হবে এমন কোনো কথা নাই। আর আমার চেনা না চেনা দিয়েও তো প্রমাণ হয় না যে তারা আমার শিক্ষার্থী নয়। আমি নাও চিনতে পারি। 

তবে ডিন অফিস থেকে প্রেরিত চিঠিতে কী উল্লেখ আছে, সেই বিষয়ে ড. জুবায়ের মোহাম্মদ এহসানুল হক কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, এটা অফিসিয়াল বিষয়।

ট্রাম্পের ঘোষণা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর ট্রাম্পের হামলা: তার পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় জু…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
খামেনিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের, ইরানের দাবি জীবিত আছেন; দৃঢ়…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
চরফ্যাশনে দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তার আকস্মিক মৃত্যু
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ‘বেঁচে নেই': নেত…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
শীর্ষ নেতাদের নিয়ে কনফিউজড, মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দল গড়ার ঘোষণ…
  • ০১ মার্চ ২০২৬