অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল © ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনে সকল ধরনের প্রশাসনিক কাজ হয়। কিন্তু রেজিস্ট্রার ভবনে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন সেবা প্রার্থীরা। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ভবনটির কর্তা ব্যক্তিদের আচরণ নিয়ে ১২ নভেম্বর ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং শিক্ষামূলক কন্টেন্ট নির্মাতা সাকিব বিন রশীদ। মুহূর্তে সেটা ফেসবুকে ভাইরাল হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তার সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেন।
সম্প্রতি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। তিনি চলমান বিভিন্ন বিষয়ের সমাধানের পাশাপাশি বিস্তারিত কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের আধুনিকায়ন নিয়েও। সেজন্য তিনি প্রতিদিন নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকেন বলে জানান উপাচার্য।
রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে প্রশাসনিক কাজের বিষয়ে নানা ধরনের ভোগান্তি বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, প্রতিদিনই আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দেখি। যদিও আমি কোনো স্ট্যাটাস দেই না। ঘুমানোর আগে কখনো আধা ঘণ্টা ফেসবুক ব্যবহার করি। আমি দেখি, কি ধরনের নিউজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছে। সেগুলো দেখে পূর্বেও আমি কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি এখন সেটি ভাইস চ্যান্সেলর হওয়ার পরও পদক্ষেপ গ্রহণ করি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সাকিব বিন রশীদ নামে একজন সাবেক শিক্ষার্থী, সে রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে তার সার্টিফিকেট উত্তোলন বিষয়ে ফেসবুকে একটা ভিডিও দেয়। অন্য কেউ পাঠানোর আগে আমি সেটি ফেসবুকে দেখেছি। পরবর্তীতে আমাকে অনেকে পাঠিয়েছে। রাতে আমাদের আইটি সেল থেকে এই ছেলের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করেছি। রাত ১২ টার দিকে আইসিটি সেলের পরিচালক তার টেলিফোন নাম্বার আমাকে দিয়েছে। সকালে রেজিস্ট্রারকে বলেছি এই ছেলেকে একটা ফোন দিতে। তার কী সমস্যা হয়েছে, সেটা আমরা তার কাছ থেকে শুনবো। কীভাবে অসুবিধা কমানো যায় এ বিষয়ে জানার জন্য ডেকেছি।
সে আসার পর তার কাছ থেকে আমরা অনেক কথা শুনলাম। সে ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক হিসেবে ইতোমধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অনেক কথা সঠিক বলেছে ,কিছু কথা তারও হয়ত গ্যাপ ছিল। সবমিলিয়ে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।