ব্যক্তিগত তথ্য তলবের নিন্দা ঢাবি শিক্ষকের, প্রতিকার আশা করেন না

১৯ অক্টোবর ২০২২, ০৫:৪২ PM , আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৪:৫২ PM
অধ্যাপক তানজিমউদ্দিন খান ও ঢাবি প্রক্টর

অধ্যাপক তানজিমউদ্দিন খান ও ঢাবি প্রক্টর © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কর্তৃক পাঠানো দুই কর্মচারীর বিভাগীয় অফিসে ব্যক্তিগত তথ্য তলবের নিন্দা জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. তানজিমউদ্দিন খান।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) উপাচার্য বরাবর এই চিঠি জমা দেন তিনি। এর পূর্বে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষে তিনিসহ আরও তিনজন শিক্ষক উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর পরপরই প্রক্টর অফিস থেকে দুজন কর্মচারী তার বিভাগের অফিসে গিয়ে তার স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানাসহ ব্যক্তিগত কিছু তথ্যের খোঁজ করে। একই দিন রাতে এই শিক্ষকের স্থায়ী ঠিকানায় ভেরিফিকেশনের কথা বলে পুলিশের একজন এসআই উপস্থিত হন।

আরও পড়ুন: ২৬ বছর বয়সেই মন্ত্রী

চিঠিতে উক্ত ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে অধ্যাপক ড. তানজিমউদ্দিন খান আরও বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান, আত্নমর্যাদা এবং স্বকীয়তা বলতে আর কোনো কিছু অবশিষ্ট কিছু আছে কিনা জানিনা! প্রক্টর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এখন যা বলছেন, তা কতটুকু সঠিক, সেটা কিন্তু শ্রোতা বা পাঠক সমাজ সহজেই অনুধাবন করতে পারে। উদ্ভট এই কাণ্ডের মধ্য দিয়ে অন্তত তিনটি কাজ তিনি করেছেন। প্রথমত, তিনি এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে শিক্ষকের তথ্যের জন্য কর্মচারী পাঠিয়েছেন, দ্বিতীয়ত, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ভঙ্গ এবং তৃতীয়ত, মানসিক হয়রানি করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতার দাপটে কোনো সহকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করাই যায় বিভিন্ন উপায়ে! তবে একটা সত্য আমাদের অনুধাবন করা জরুরী - সমাজের কাছে এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে হেয় প্রতিপন্ন হলে শিক্ষক হিসেবে আমাদের কারোর মান-মর্যাদা রক্ষিত হয়না। এতে কে “সহমত শিক্ষক” বা কে “ভিন্ন মত” এর শিক্ষক, তাতে কী আসে যায়! প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বর্তমানের শিক্ষক হিসেবে এটা অন্তত জেনে গেছি, কোনো অভিযোগ, তদন্তের দাবী বা প্রতিবাদ করে এসব সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ বা দুরভিসন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড কখনো বন্ধ হয়না। তাই এসব কিছুর প্রতিক্রিয়ায় অন্তত নিন্দা জানাতে চাই, প্রক্টরের এরকম আত্নমর্যাদাবিহীন এবং অশিক্ষকসুল্ভ কর্মকাণ্ডের।’

তবে এ ব্যাপারে ইতিপূর্বে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে বলেন, একজন কর্মকর্তা ড. তানজিমের বাবার নাম জানতে গিয়েছিলেন। বিষয়টি জানার পর বিভাগের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলি এবং সেই কর্মকর্তাকে চলে আসতে বলি। এ নিয়ে পরেতানজিমউদ্দিন খানের সাথে কথা হয়, শিক্ষক ক্লাবে দেখাও হয়েছে। কোন অভিযোগ থাকলে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে অনুরোধ জানিয়েছি।

বাড়িতে পুলিশ পাঠানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবগত নয়। বিষয়টি অতিরঞ্জিত করছেন তিনি। প্রক্টর বলেন, নানা সময় বিভিন্ন তথ্যের দরকার হয়। তথ্য জানতে চাওয়া কোনো অপরাধ নয়। তবে বিষয়টি জ্ঞাতসারে ঘটেনি।

ট্যাগ: ঢাবি
জোট শরিকদের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি, যে কারণে বললেন সারজ…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি নিয়ে শ্রমিক দলের দুই পক্ষের সংঘ…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ সংসদে ‘একমাত্র ভাগ্যবান দম্পতি’
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে সরাসরি বৈঠকে বসছে ইসরায়েল ও লেবানন
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
ন্যায় বিচার প্রাপ্তিতে ‘ই-বেইল বন্ড’ মাইল ফলক হিসেবে কাজ কর…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
মার্কা কাহিনী
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬