১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ইউজিসি

২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৫২ AM , আপডেট: ২৪ জুন ২০২৫, ০২:২৮ PM
ইউজিসি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

ইউজিসি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। প্রতিবছর শিক্ষার্থী বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আয় ও দুর্নীতি। নেই আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও হিসাব-নিকাশ। আইনের তোয়াক্কা না করে নানা কৌশলে বিপুল অর্থ লুটছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের (বিওটি) সদস্যরা। স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম স্থানান্তর না করা, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তিসহ নানা কারণে ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে তদারক সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

এ বিষয়ে ইউজিসি সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম নিয়ে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলাম। সেই প্রতিবেদনের আলোকে ইউজিসিকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে আমাদের মাসিক সমন্বয় সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ইউজিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম স্থানান্তর না করা,শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা অমান্য করে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা, আর্টস ফ্যাকাল্টিতে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ডিন নিয়োগ দেওয়া, একই ব্যক্তি ডিন এবং বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে ইউজিসির এক কর্মকর্তা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী অভিযোগ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চেয়েছিলাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিক। তবে তারা আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পূর্ণ কমিশনের সভায় অভিযোগ ওঠা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ঢাকার মোহাম্মদপুরের দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, পান্থপথের সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, সাতমসজিদ রোডের ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, সিদ্ধেশ্বরীর স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, রাজারবাগের দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি, গুলশানের প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, কুমিল্লার ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটি, বনানীর প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি, শ্যামলীর আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, মিরপুরের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস, সিলেটের নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, কিশোরগঞ্জের ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, ফেনীর ফেনী ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রামের পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি।

১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও জানান, একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ একেক রকম। ফলে সবার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ার হতে পারে। তবে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও কিছুদিন সময় বেধে দেওয়া হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে না পারলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ( বিশ্ববিদ্যালয়-১) মোছা. রোখছানা বেগম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের বিষয়ে ইউজিসি আমাদের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল। প্রতিবেদনের আলোকে আমরা তাদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছি।’

পাকিস্তানে বোমা ও বন্দুক হামলা, নিহত ১৯৩
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টিকটকের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হলো যুক্তরাষ্ট্রে
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লিমনকে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, হাইকো…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেনীর সাবেক তিন এমপিসহ ১৫৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার পথে ছাত্রদলের সাবেক নেতার গাড়…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও প্র…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬