হোয়াটসঅ্যাপ © টিডিসি ফটো/এআই
ডিজিটাল যোগাযোগের এই যুগে ব্যক্তিগত ও পেশাগত আলাপের বড় অংশই নির্ভর করে হোয়াটসঅ্যাপের ওপর। গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ, ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট সবকিছুই জমা থাকে এই একটি অ্যাপেই। তাই ফোন হারানো, নষ্ট হয়ে যাওয়া বা নতুন ডিভাইসে পরিবর্তনের সময় সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়ায় চ্যাট হিস্ট্রি হারানোর বিষয়টি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললেই খুব সহজে চ্যাট ব্যাকআপ, রিস্টোর এবং ট্রান্সফার করা সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে পুরো বিষয়টি তুলে ধরা হলো-
চ্যাট ব্যাকআপ: কীভাবে করবেন?
অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য চ্যাট ব্যাকআপ সংরক্ষণ হয় গুগল ড্রাইভে।
ধাপে ধাপে ব্যাকআপ নেওয়ার নিয়ম:
অটো ব্যাকআপ চালু করতে-
অটো ব্যাকআপ অপশনে যান, এরপর দিন/সপ্তাহ/মাসি—আপনার সুবিধামতো একটি অপশন নির্বাচন করুন। এতে আপনার চ্যাট নির্দিষ্ট সময় পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ হয়ে যাবে।
আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য:
চ্যাট ব্যাকআপ সংরক্ষণ হয় আই-ক্লাউড-এ
ধাপসমূহ:
চ্যাট রিস্টোর: কীভাবে পুরনো ডেটা ফিরে পাবেন?
নতুন ফোনে বা অ্যাপ পুনরায় ইনস্টল করার পর চ্যাট ফিরে পেতে হলে একই ফোন নাম্বার ব্যবহার করুন। একই গুগল ড্রাইভ বা আই ক্লাউড অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। এরপর হোয়াটসঅ্যাপ ইনস্টল করুন। অ্যাপ ওপেন করলে রিস্টোর অপশন আসবে সেখানে ক্লিক করলেই পুরনো চ্যাট ফিরে আসবে। তবে মনে রাখতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ কোনো চ্যাট নিজের সার্ভারে সংরক্ষণ করে না। তাই ব্যাকআপ না থাকলে চ্যাট পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়।
ব্যাকআপ ছাড়াই চ্যাট ট্রান্সফার:
আপনি চাইলে ব্যাকআপ ছাড়াও সরাসরি এক ফোন থেকে অন্য ফোনে চ্যাট স্থানান্তর করতে পারেন।
কী কী করা যাবে?
কেন নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা জরুরি?
ফোন হারিয়ে গেলেও আপনার ডেটা নিরাপদ থাকবে। নতুন ফোনে সহজেই সব চ্যাট ফিরে পাওয়া যায়। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ছবি, ভিডিও ও ডকুমেন্ট সংরক্ষিত থাকে এজন্য ব্যাকআপ রাখা জরুরি।