পরীক্ষা ও ফল নিয়ে ভীতি দূর করবেন যেভাবে

০৮ নভেম্বর ২০২২, ১১:৫০ AM , আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ০১:২৩ PM
পরীক্ষাভীতি দুর করার উপায়

পরীক্ষাভীতি দুর করার উপায় © প্রতিকী ছবি

পরীক্ষা এলেই শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়ে থাকে। ‘পরীক্ষা’ শব্দটিকে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে আতঙ্ক বললেও ভুল হবে না। পরীক্ষা দেয়ার কথা শুনলেই অনেক পরীক্ষার্থীর বুক ধরফর করে, মুখ শুকিয়ে যায়, মাথায় ভর করে একরাশ দুশ্চিন্তা। অনেক সময় অসুস্থ্যও হয়ে পরেন অনেক পরীক্ষার্থী।

পড়াশোনায় প্রচুর শ্রম দেয়া সত্ত্বেও তার পরীক্ষার ফলাফল আশাতীত নয়। এ বিষয়টা সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। পরীক্ষাভীতি শিক্ষার্থীদের একটি প্রধান সমস্যা। এই সমস্যার কারণে অনেক পরীক্ষার্থীর ফলাফল বিপর্যয় ঘটে। পরীক্ষায় খারাপ ফল করার কারণে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটে।

এ সময়ে সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দেয় তা হলো- অস্থিরতা, ক্লান্তি ও দৃর্বলতা, অনিদ্রা, হাত-পা অতিরিক্ত ঘামা, বুক ধড়ফড় করা, মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়া, মেজাজ খারাপ হওয়া, জানা পড়া ভুলে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হওয়া, বমি-বমি ভাব হয়। এছাড়া হজম হয় না, হাত-পা ঘামে, জ্বর এসে যায়, বারবার বাথরুমে যায়, ঘন ঘন তৃষ্ণা ও ঘণ ঘণ প্রস্রাব হওয়া, ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা ইত্যাদি।

তাই পরীক্ষা পরবর্তী পরীক্ষার্থীদের হতাশা ও বিচ্ছিন্নতা কমাতে অভিভাবকদের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।  আসুন জেনে নেই পরীক্ষাভীতি দূর করবেন যেভাবে-

পরীক্ষা বিষয়টাকে সহজ-স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করা: সাধারণত পরীক্ষার আগে সিলেবাস শেষ না হওয়ার ফলে শুরু হয় পরীক্ষাভীতি। অনেক ছাত্র-ছাত্রী বিষয় নির্বাচনে ভুল করে। বিষয় কঠিন মনে হয়। এর ফলে চাপ সহ্য করতে না পেরে পরীক্ষাকে ভয় পেতে শুরু করে। পরীক্ষার আগে ভালো প্রস্তুতি না নিতে পারলেও পরীক্ষাভীতি জন্ম নেয়। কাজেই পরীক্ষা বিষয়টাকে সহজ-স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। নিজের আশা কমাতে হবে। মূলত অতিরিক্ত আশা করার কারণে মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। আশা কমলে চাপও কমবে, এতে পরীক্ষা ভীতিও কমে যাবে।

আরও পড়ুন: কোষাধ্যক্ষ নেবে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব না রাখা: শিক্ষার্থীরা পরীক্ষাভীতির কারণে ফলাফল-কেন্দ্রিক বিষণ্নতায় ভোগে। ভালো ফল করতে না পেরে অনেকের মধ্যে হীনমন্যতা তৈরি হয়। তাদের মনে হয়, সে হয়তো অন্যদের তুলনায় কম যোগ্য। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখলে-কথা বললে ভেতর থেকে এমন হীনমন্যতা ও বিষণ্নতা দূর হবে। 

শিক্ষকদের ভূমিকা: শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করে তোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের। শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষণ পদ্ধতি যেন শিক্ষার্থীদের ভেতর বিদ্বেষমূলক প্রতিযোগিতা তৈরি না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পরীক্ষা একজন শিক্ষার্থীর শেখার পুরো পরিমাপক না-ও হতে পারে। বিষয়টিকে সেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বোঝাতে হবে- তার শেখার ক্ষেত্রে আরও মনোযোগী হওয়া দরকার কি-না এটি তারই একটি পদ্ধতি। প্রয়োজনে সংশোধনী দিতে হবে।

ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা: শিক্ষার্থীর নেতিবাচক প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো থেকে তাকে বের হয়ে আসতে সহায়তা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জন্মাতে সহায়তা করাও শিক্ষার অন্যতম একটি উদ্দেশ্য। সে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে পড়া বা খারাপ ছাত্র নয়।

আনন্দদায়ক অনুভুতি দেয় সেসব কাজ করা: পরীক্ষাভীতি শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক অনুভূতিকে বাধাগ্রস্ত করে। যেসব জায়গা পছন্দ সেখানে ঘুরতে যাওয়া। পরীক্ষার বিষয়টি ভুলে যেতে প্রিয় জায়গা, প্রিয় স্মৃতি মনে কল্পনা করা।

কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দেয়: যদি কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে তা জানা জরুরি। প্রতিকুল পরিস্থিতি সামালাতে খেলাধুলায় আগ্রহী হওয়া।  এছাড়া কোনো বাদ্যযন্ত্র শেখা, ছবি আঁকা শেখা- এসব কার্যক্রমগুলোতে বেশি বেশি যুক্ত হওয়া।

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বৃষ্টি
  • ০৯ মে ২০২৬
শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানোন্নয়ন জরুরি: শিক্ষ…
  • ০৯ মে ২০২৬
আজ রাত জেগে থাকার দিন 
  • ০৯ মে ২০২৬
বিএসএফ-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের প্রতিবাদে জেডিপির বিক…
  • ০৯ মে ২০২৬
বাসচালক-হেলপারকে অপহরণ করে লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তা…
  • ০৯ মে ২০২৬
একই দিনে সারাবিশ্বে ঈদ পালন প্রসঙ্গে যা জানালেন বায়তুল মোক…
  • ০৯ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9