একই দিনে সারাবিশ্বে ঈদ পালন প্রসঙ্গে যা জানালেন বায়তুল মোকাররমের খতিব

০৯ মে ২০২৬, ১০:০৭ PM
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। © সংগৃহীত

যারা একই দিনে সারা বিশ্বে ঈদ পালনের কথা বলেন, তাদের মতবাদ ধর্ম ও বিজ্ঞানবিরোধী- এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। 

শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসন ও শরিয়াহ বিশ্লেষণ শীর্ষক’ জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

একই তারিখে সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি দলিলভিত্তিক নয় এবং কার্যক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নও অসম্ভব উল্লেখ করে আবদুল মালেক বলেন, ইসলামী শরিয়তে চন্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা কিংবা হেলালের সাক্ষ্য। অন্যথায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করা।

এ মানদণ্ড বাদ দিয়ে অমাবস্যা থেকে মাস শুরু করা শরিয়ত পরিবর্তন এবং নিজ খেয়াল-খুশি মোতাবেক নতুন শরিয়ত প্রবর্তন করার শামিল। এমনিভাবে হেলাল দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞান-ভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত হিজরি ক্যালেন্ডারের নামে বিভিন্ন লুনার ক্যালেন্ডারকে মানদণ্ড বানানোও স্পষ্ট নাজায়েজ এবং শরিয়তে হস্তক্ষেপের শামিল।

তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈদ অন্য জাতিগোষ্ঠীর উৎসবের মতো নিছক আনন্দ-উৎসব নয়; বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্যদের উৎসবের আদলে উদযাপনের চিন্তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও অযৌক্তিক।

বায়তুল মোকাররমের খতিব আরো বলেন, হেলাল দেখাকে একমাত্র ভিত্তি গণ্য করে পুরো বিশ্বের জন্য একই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া দলিলভিত্তিক নয় এবং উম্মতের ইজমা পরিপন্থী। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো শহরের চাঁদ দেখাকে ভিত্তি করে অন্য অঞ্চলের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণও শরিয়তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মাওলানা আবদুল মালেক বলেন, শরয়ি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য অপরিহার্য নয়। অতীতে মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও বিশ্বব্যাপী একই দিনে রোজা-ঈদ পালনের পক্ষে ছিলেন না।

কারণ এটি মূলত শরিয়তের বিষয় এবং শরিয়ত যা বলে তাই মেনে নেওয়াই মুসলমানদের কর্তব্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পদ্ধতিতে রোজা ও ঈদ পালিত হয়ে আসছে, দেশের অধিকাংশ আলেম-মাশায়েখ সে ব্যাপারে একমত। তাই অনুমিত ধারা পরিবর্তনের কোনো শরয়ি কারণ নেই। বরং এর পরিবর্তনের ফলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে।

আবদুল মালেক আরো বলেন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। তাই শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো আপত্তি না থাকলে এ কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে চলা মুসলিম নাগরিকদের দায়িত্ব।

প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে গিয়ে ধরা
  • ২৩ জুন ২০২৬
শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক অবরুদ্ধ, দোকান ভ…
  • ২৩ জুন ২০২৬
সেনেগালকে তিন গোলে হারিয়ে ২৮ বছর পর নকআউটে নরওয়ে
  • ২৩ জুন ২০২৬
গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩৪ …
  • ২৩ জুন ২০২৬
ভূমিকম্পে বুয়েটের আবাসিক ভবনের ছাদ ধস
  • ২৩ জুন ২০২৬
মধ্যরাতে ছাত্রদলের দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা, উত্তপ্ত বিএ…
  • ২৩ জুন ২০২৬