কুবি থেকে উত্তীর্ণ তিন শিক্ষার্থী © টিডিসি ফটো
বাংলাদেশ পুলিশ দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে সব সময় নিয়োজিত। আর সাব-ইন্সপেক্টরকে (এসআই) বাংলাদেশ পুলিশের মেরুদণ্ড বলা হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের এসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশিত ফলে ৮৭৫ জন প্রার্থীকে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের একাধিক জন নিজেদের সাফল্য নিয়ে অভিমত জানিয়েছেন।
রিটেন, কম্পিউটার, ফিজিক্যাল টেস্টসহ আরো কঠিন সব পরীক্ষার বাঁধা পার করে সর্বশেষ ভাইভার পর যখন নিজের নামটা সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকায় দেখি তখন সত্যিই এক অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছিল। আসলে সাব-ইন্সপেক্টর পদে অনেকেই নিজেকে দেখতে চায়, আমিও তাদের ব্যতিক্রম ছিলাম না। আমার এ সাফল্যের পেছনে আমার বাবা-মা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সিনিয়র এবং বন্ধুবান্ধব সবার সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণা ছিল।
রেজোয়ান কবির
৯ম ব্যাচ, লোকপ্রশাসন বিভাগ
বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি আমার বাড়তি একটা দুর্বলতা ছিল। যেহেতু আমি নিজ ইচ্ছায় পুলিশে এসেছি সেহেতু আমার মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা। আমি এ জায়গায় আসার পেছনে আমি আমার বাবা-মা, শিক্ষক, সিনিয়র এবং বন্ধুবান্ধবদের অনেক বড় অবদান আছে। তাদের মেন্টাল সাপোর্ট এবং পরামর্শ আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। বাংলাদেশের চাকরির বাজার খুবই প্রতিযোগিতামূলক, যারা এই লাইনে আসতে চায় তাদেরকে অবশ্যই লাস্ট ইয়ার থেকেই গোছানো প্রস্তুতি নিতে হবে।
ওবায়দুল্লাহ অনিক
১০ম ব্যাচ, লোকপ্রশাসন বিভাগ
আরও পড়ুন: বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে অনলাইন ক্লাসে যাচ্ছে কুবি
আমি আসলে খুবই আনন্দিত কারণ এসআই নিয়োগ পরীক্ষা খুবই কম্পিটিটিভ জায়গা। এতজন প্রতিযোগিকে পেছনে ফেলে ফাইনাল তালিকায় নিজের স্থান করে নিতে পেরেছি। এটা আমার জন্য বিশাল একটা অর্জন। লোকপ্রশাসন বিভাগে পড়ার কারণে প্রথম থেকেই প্রশাসন নিয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছিল। তাই প্রশাসনের প্রতি আলাদা একটা ঝোঁক ছিল। আর যেহেতু আমরা প্রশাসনের ব্যাপারগুলো ভালোভাবে জানি; তাই মনে করি যে দেশকে নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পারবো।
শরিফুল ইসলাম
৯ম ব্যাচ, লোকপ্রশাসন বিভাগ
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের জন্য গত ডিসেম্বরে প্রার্থীদের শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁদের কম্পিউটার দক্ষতা পরীক্ষা নেওয়া হয়।