শিবির সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম © সংগৃহীত
দেশের ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধার অবমূল্যায়ন করে দলীয় পরিচয়ে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা ডিপার্টমেন্টেও কখনো দায়িত্ব পালন করেননি বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি আমরা খুঁজে পেলাম, যাদের একটা ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতাও হয়নি, অথবা ডিপার্টমেন্টে দায়িত্ব পালন করেনি, ডাইরেক্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হয়েছেন। শুধুমাত্র দলীয় অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করা এবং দলের সাথে থাকা, তাদের সাথে থেকেই এ পদগুলো তারা পেয়েছেন। এগুলো মেধার চূড়ান্ত অবমূল্যায়ন।
তিনি আরও বলেন, যে মেধার জন্য জুলাই আন্দোলন হয়েছিল, এটাকে থোরাসা কেয়ার করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সিটি করপোরেশনে তাদের হেরে যাওয়া প্রার্থীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। যারা এখন নির্বাচিত হয়েছে, তারা তাদের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে।’
সাদ্দাম বলেন, পিএসসির ক্ষেত্রে দলীয়করণের একটা প্রক্রিয়ার গুঞ্জন শুনতে পাচ্ছি। এক্ষেত্রে সরকারকে বলব, যুবসমাজকে যেন আপনারা আর ক্ষেপিয়েন না। পিএসসি সংস্কার এবং সরকারি নিয়োগে যথাযথ মূল্যায়ন যাতে হয়, এটা ছিল শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। এই দাবিতেই শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। সুতরাং সেই জায়গায় যদি আবারও দলীয়করণ করা হয়, লিস্ট নিয়ে যদি বিসিএসে পাস করানো হয়, তাহলে আমরা সজাগ আছি। রাজপথে থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা মোকাবিলা করব, ইনশা আল্লাহ।
এ সময় ক্যাম্পাসগুলোতে র্যাগিং, সিট দখল এবং ভর্তি বাণিজ্য বন্ধ করে সেগুলোকে আদর্শ ও নৈতিকতার ‘মার্কেট প্লেস’ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান সাদ্দাম হোসেন। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির আমূল পরিবর্তনের ওপর জোর দেন তিনি।