নুরুল ইসলাম সাদ্দাম © সংগৃহীত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে মেশিন ত্রুটির কারণে ভোট গণনা বন্ধ রেখেছে নির্বাচন কমিশন। বিকেল ৫টার পররে মেশিনে ভোট গণনা শুরু করার পরই এই ত্রুটি দেখা যায়।
এরই প্রতি বাদে আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলেন, জকসুর ভোট গণনা বন্ধ, এদিকে ছাত্রদলের বহিরাগতরা ক্যাম্পাসের ভেতর ঢুকছে। প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। আগে চেক-আপ করার পরও কেন মেশিনে ত্রুটি দেখা দিলো? মনে রাখবেন, জকসু সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার। কোনো ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করলে কড়া মাশুল গুনতে হবে।
আজ রাত ৮ টা ৫০ মিনিটে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আমরা তথ্য যাচাই ও দুই মেশিনের ফলাফল অভিন্ন করার চেষ্টায় আছি। অতি শীঘ্রই ব্যালট গণনা শুরু হবে।
এর আগে বেলা ৩টায় ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিক সময়সীমা শেষ হলেও লম্বা লাইনের জন্য শেষ হতে আরও কিছু সময় নেওয়া হয়। প্রায় বিকেল ৪টার পরে শেষ হয় ভোটগ্রহণ। এরপরই ব্যালট বক্স ভোগ গণনাকেন্দ্রের দিকে নিয়ে যায় নির্বাচন কমিশন।
ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, ‘আমরা আশা করছি প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট কাস্টিং হবে। সব কেন্দ্রের তথ্য হাতে এলে বিস্তারিত জানানো যাবে। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সন্তোষজনক।
অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, ক্যাম্পাস তুলনামূলকভাবে ছোট এবং এটি প্রথমবারের মতো জকসু নির্বাচন হওয়ায় কিছু ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে ক্যাম্পাসের ভেতরে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাইরে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সামগ্রিকভাবে ভোটের পরিবেশ নিয়ে নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট।
এর আগে সকাল ৯টায় জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৬ হাজারের বেশি।