কীভাবে দাঁত ভাঙা হয়েছে— জানালেন ছাত্রলীগ নেতা নাঈম

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৩৮ PM , আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৫, ০২:০১ PM

© সংগৃহীত

‘হারুন ও তাঁর লোকজন আমার ওপর চড়াও হন। আমাকে ওসির কক্ষে নিয়ে মাটিতে ফেলে ১০-১৫ মিনিট ধরে মারধর করেন। একপর্যায়ে হারুন তাঁর পিস্তলের বাঁট দিয়ে আমার মুখ থেঁতলে দেন, এতে আমার দাঁত ভেঙে যায়।’

গণমাধ্যমের কাছে এমন বর্ণনা দিয়েছেন রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদের হাতে নির্যাতিত ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন নাঈম। আনোয়ার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, এডিসির হারুনের মারধরে এই ছাত্রলীগ নেতার সামনের চারটি দাঁত গোড়া থেকে ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও তিনটি দাঁত।

ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন নাঈম বলেন, ‘আমি এবং শহীদুল্লাহ হলের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহম্মেদ মুনীম শাহবাগ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন বারডেম হাসপাতালের সামনে আমার এলাকার বড় ভাই রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। তিনি জানালেন, তাঁর সঙ্গে বারডেম হাসপাতালের চারতলায় পুরোনো দ্বন্দ্ব নিয়ে এডিসি হারুনের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর এডিসি হারুন তাঁর পুলিশ ফোর্স ডেকে আমার ওই বড় ভাই এবং শরীফ আহম্মেদ মুনীমকে (ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক) ডেকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যান। আমি উদ্বিগ্ন হয়ে কিছুক্ষণ পর থানায় যাই। এরপরই আমার ওপর চড়াও হন এডিসি হারুন ও তাঁর পেটোয়া বাহিনী পুলিশ। ওসির কক্ষে ফেলে আমাকে ১০-১৫ মিনিট ধরে মারধর করে। হারুন তাঁর পিস্তলের বাঁট দিয়ে আমার মুখ থেঁতলে দেন, এতে আমার দাঁত ভেঙে যায়।’

এ সময় এডিসি হারুনের বিচার দাবি করেন ছাত্রলীগ নেতা নাঈম। এর আগে, গতকাল শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে বেধড়ক মারধর করেন পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ।

ময়মনসিংহে জামায়াত আমিরের জনসভা মঙ্গলবার
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শুনলেন তরুণদের প্রত্যাশা-স্বপ্নের কথা, গুরুত্ব দিলেন নারীদে…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শবে বরাত উপলক্ষে বন্ধ থাকবে জামায়াত প্রার্থীর মাইকিং
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সে ভালো নেতা হতে পারে …
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬