পদপ্রত্যাশী ছাত্রলীগ নেতাদের এসএমএসে বিরক্ত ওবায়দুল কাদের

১৪ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৫০ PM , আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫৩ PM

© ফাইল ছবি

আসন্ন ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে পদপ্রত্যাশী নেতাদের এসএমএসে বিরক্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রাতে মোবাইল সাইলেন্ট থাকে বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, সারা রাত যেসব মেসেজ আসে, সকালে ঘুম থেকে উঠে সেগুলো তিনি দেখেন।

ওই সময় (সকালে) এত মেসেজ পড়তে পড়তে সময় ফুরিয়ে যায় বলে উল্লেখ করেন। তিনি ‘দয়া করে কেউ মেসেজ দেবেন না’, বলেও ছাত্রলীগকে সতর্ক করে দেন।

আজ সোমবার (১৪ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ২২তম সম্মেলন উপলক্ষে প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

রাতে মোবাইল সাইলেন্ট করে ঘুমান বলে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সকালে দেখি সারা রাত (কল)- বেশিরভাগ হল ছাত্রলীগের। এখানেও আছেন কেউ কেউ, আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিভিন্ন জায়গার…। এসব জ্বালাতনগুলো ‘দয়া করে’ সকালে উঠে আমি আমার মেডিকেশন আছে, আমাকে বাইরে যেতে হয়, তখন আমার প্রস্তুতিটা লাগে। কিন্তু ওই সময় এত মেসেজ পড়তে পড়তে শেষ, সময় ফুরিয়ে যায়। দয়া করে আমাকে মেসেজ দেবেন না।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের জন্য আমাদের নেত্রী একটি সুসজ্জিত কার্যালয় তৈরি করে দিয়েছেন। সেটা হল আমাদের ২৩ নম্বরে (বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ)। তারা এখানে ঘোরে কেন? ছাত্রলীগ অফিসে গেলে, ওই অফিসে যাবে। তদবির করলে ওই অফিসে করবে। এখানেতো তাদের আসার কথা না।

কোনও অতি উৎসাহী ভক্ত সুবিধা পাবেন না বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কারও বাড়ি কোম্পানীগঞ্জ কিংবা নোয়াখালী হলে, আমার ওই সব প্রীতি নাই। আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাই নেতাকর্মীদের একই চোখে দেখি। আমার এলাকাবাসী আমাকে নির্বাচিত করে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু কারও প্রতি আমি বিশেষ দৃষ্টি দিতে পারি না, পারবো না। আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মী আমার জন্য সমান।

আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কাউকে তার অতি উৎসাহী ভক্ত সাজতে নিষেধ করে তিনি বলেন, এই দলের নেতাকর্মীদের মনে খবর আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনার চেয়ে বেশি জানেন না। তিনি কাউন্সিলরদের মনের খবর ও জীবনের খবর, এমনকি তারা কীভাবে চলছে, কে অসুস্থ, কার আর্থিক সচ্ছলতা নেই, সব খবর রাখেন।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নির্বাচনে সভাপতি শেখ হাসিনার বিকল্প নেই উল্লেখ করে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, একজন কাউন্সিলরও খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, আমাদের নেত্রীকে পুনর্বার চাইবেন না। তার জন্য আমরা আজকে এসেছি।

এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কেন দলীয় সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে ঘুর ঘুর করে প্রশ্ন তুলে কাদের বলেন, তাদের জন্য আমাদের নেত্রী একটি সুসজ্জিত কার্যালয় তৈরি করে দিয়েছেন। সেটা হলো আমাদের ২৩ নম্বরে (বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ)। তারা এখানে ঘুরে কেন? ছাত্রলীগ অফিসে গেলে, ওই অফিসে যাবে। তদবির করলে ওই অফিসে করবে। এখানে তো তাদের আসার কথা না।

প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ। 

যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মানহানির মামলায় আগাম জামিন পেলেন আমির হামজা
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ৩০ পরিবারের ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
দেশের মোবাইল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন মা ও দুই মেয়ে, ঝড়ে ভাঙা গাছে চাপা …
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জাপানের রাষ্ট্রদূতের নৈশভোজে ঢাবি উপাচার্য
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬