জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে সম্ভবত ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখ। ওই দিন সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি চলছিল।...
সংবাদপত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ‘মুক্ত কলম’। এটি পাঠক ও লেখক উভয়ের জন্যই স্বাধীন মত প্রকাশের মঞ্চ। এখানে কোনও প্রকার রাজনৈতিক চাপ, আর্থিক প্রলোভন বা সামাজিক বিধিনিষেধ ছাড়াই লেখক নিজের ভাবনা, অনুভূতি ও মতামত প্রকাশ করতে পারেন। মুক্ত কলম শুধু লিখিত সংবাদ নয়; এটি বিশ্লেষণ, প্রতিক্রিয়া, চিন্তাভাবনা এবং সমাজের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের মূল্যায়ন প্রকাশের ক্ষেত্র।
‘মুক্ত কলম’ বিভাগে লেখকের পরিচয় একান্ত প্রয়োজন নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক বা সাধারণ নাগরিক—যে কেউ নিজের অন্তর্দৃষ্টি ও অভিজ্ঞতা এখানে উপস্থাপন করতে পারেন। মূল লক্ষ্য হলো সমাজ, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, রাজনীতি বা যেকোনো বিষয় নিয়ে চিন্তাশীল ও দায়িত্বশীল প্রতিবেদন বা নিবন্ধ প্রকাশ করা। এখানে প্রকাশিত লেখা পাঠককে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, উদ্বুদ্ধ করে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে এবং সচেতন হতে।
বাংলাদেশে সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে মুক্ত কলমের প্রচলন বছর ধরেই সমৃদ্ধ। এটি লেখককে নিজের মতামত বিনিময় করার সুযোগ দেয়, একই সঙ্গে পাঠককে নানামুখী তথ্য, বিশ্লেষণ ও বিতর্কের সঙ্গে পরিচিত করে। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ‘মুক্ত কলম’ বিভাগ শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহ দেয়, তাদের কলমের শক্তি কাজে লাগাতে শেখায় এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যা, সংস্কৃতিমূলক বিষয় বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্য প্রেরণা যোগায়।
মুক্ত কলম শুধু ব্যক্তির মত প্রকাশের মাধ্যম নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক সমাজের প্রতিফলন। যেখানে স্বাধীনভাবে লেখা হয়, সেখানে স্বাধীন চিন্তা, নতুন ধারনা ও সৃষ্টিশীলতা বিকাশ পায়। এটি সমাজে সহনশীলতা, বহুমতকে গ্রহণ করার মনোভাব এবং ন্যায়বিচারের অনুভূতি গড়ে তোলে। পাঠক ও লেখক উভয়ের জন্য এটি শিক্ষা, জ্ঞানের সম্প্রসারণ এবং সচেতন নাগরিকত্বের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
সংক্ষেপে বলতে গেলে ‘মুক্ত কলম’ হলো স্বাধীন মত প্রকাশের পুণ্যভূমি। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের বিভাগটি পাঠককে তথ্য, বিশ্লেষণ এবং চিন্তার স্বাধীনতা প্রদান করে, যেখানে কলমই শক্তি, কলমই প্রতিবাদ, কলমই জ্ঞান ও অনুপ্রেরণার প্রতীক।