© টিডিসি ফটো
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষর্থীদের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরনের সাথে সাথে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ হিসেবে জুতা, ড্রেস ও ব্যাগ দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যা অচিরেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।
বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় বাইমহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় ও মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মা সন্তানের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক আর বাসস্থান হলো সন্তানের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই সন্তানকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে মাকে শিক্ষার প্রতি সচেতনতা সৃষ্টি করাসহ বাসস্থান বসবাস উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
বর্তমান সরকারের এক বছরের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব বর্ণমালায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীর মাঝে প্রাক-প্রাথমিক এবং ১ম,২য় ও ৩য় শ্রেণির পঠন-পাঠন সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার বেষ্টনীর কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর প্রায় ১কোটি ৩৭লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ে শিশুভর্তি শতভাগ ধরে রাখতে, ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতির বৃদ্ধি, ঝরে পড়ার প্রবণতা রোধ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দারিদ্র্য পীড়িত এলাকায় মিড-ডে মিল ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে গণিত শিক্ষা ভীতিহীন ও আনন্দঘন পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে।এছাড়া ওয়ান ডে-ওয়ান ওয়ার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে পারদর্শী করে গড়ে তুলতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে তাঁদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। তিনি স্বচ্ছতার মাধ্যমে শিক্ষকদের নিয়োগের কথা উল্লেখ করে বলেন, অন-লাইন পদ্ধতিতে শিক্ষকদের বদলী ও পেনশন প্রাপ্তি সহজীকরণ প্রক্রিয়া চলমান আছে যা অচিরেই কার্যকর হবে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন, ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া ও মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু।