নদীভাঙনের ঝুঁকিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়, অনিশ্চয়তায় ১০৫ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ PM , আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ PM
পশ্চিম চর কাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

পশ্চিম চর কাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় © টিডিসি ফটো

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ১৮৩ নম্বর পশ্চিম চর কাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভয়াবহ নদীভাঙনের মুখে পড়েছে। বিদ্যালয় ভবন থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে এসে ঠেকেছে উত্তাল বুড়াগৌরাঙ্গ নদী। ভাঙন অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এতে ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যালয়ের ১০৫ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন।

স্থানীয়রা জানান, বেড়িবাঁধ-সংলগ্ন আবু জাফর হাওলাদারের দান করা ৪০ শতাংশ জমিতে ১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০১৩ সালে এটি জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিকসহ ছয়টি শ্রেণিতে দুই শিফটে পাঠদান চলছে। বিদ্যালয়টিতে ছয়টি শিক্ষকের পদ থাকলেও প্রধান শিক্ষকের পদসহ চারটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে পাঠদানে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষকরা। দ্রুত নদীভাঙন রোধে ব্লক স্থাপনসহ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান তারা।

এদিকে, নদীভাঙনের কারণে ইতোমধ্যে পশ্চিম চর কাজল মৌজা পুরোপুরি এবং বড় চর কাজলের একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়ে একটি মাদরাসা, চারটি মসজিদ, একটি কমিউনিটি বিদ্যালয় এবং শতাধিক বসতঘর নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। বর্তমানে আরও অনেক স্থাপনা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাঙন রোধ পদক্ষেপ না নিলে হারিয়ে যাবে পশ্চিম চর কাকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য মো. রিয়াজ হাওলাদার জানান, প্রথমে ৪০ শতাংশ জমিতে বিদ্যালয় স্থাপন করা হলেও ভাঙনে ৩০ শতাংশ জমিসহ ভবন নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে নতুন করে আবার ৪০ শতাংশ জমি দান করা হয়। কিন্তু বর্তমান ভবনটিও এখন আবারও নদী ভাঙনের হুমকির মুখে। 

শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. জাফর সিকদার ও হাবিব সিকদারসহ অনেকে বলেন, আমাদের সন্তানরা এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের স্কুলেটি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাশিদা বেগম বলেন, একসময় নদী অনেক দূরে ছিল, কিন্তু এখন ভাঙনের ফলে স্কুলের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চরকাজল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রিকোজ আহম্মেদ জানান, পূর্বের একটি কমিউনিটি বিদ্যালয় ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমান প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও আগামী মৌসুমে একই পরিণতির মুখে পড়তে পারে। তিনি দ্রুত ব্লক স্থাপনের দাবি জানান।

গলাচিপা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম সগীর বলেন, নদীর মাঝে চর জেগে ওঠায় ভাঙন কিছুটা কমতে পারে। তবে শিক্ষক নিয়োগ হলে শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, বিদ্যালয়টির ঝুঁকির বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

‘হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে’— মুগ…
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কালোনিকে বোকা জুনিয়র্সের কোচ হিসেবে চান আর্জেন্টিনার প্রে…
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে ২৪ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘ…
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বীরাঙ্গনা ও যুদ্ধশিশুর ভিটেমাটি দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তা চান…
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকার তৈরি ৭.৬৫ মিমির পিস্তল, ম্যাগজিন, গুলি ও ইয়াবাসহ গ…
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান ভেনচুরা প্রপার্ট…
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9