ফুলব্রাইট স্কলারশীপ পেয়েছেন লিডিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শতাব্দী রায়

শতাব্দী রায়
শতাব্দী রায়  © টিডিসি ফটো

লিডিং ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ডিপার্টমেন্টের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শতাব্দী রায় যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্সের জন্য ফুলব্রাইট স্কলারশীপ নিয়ে বুধবার (২৫ নভেম্বর) যুক্তরাস্ট্রের ভিসা পেয়েছেন।

শতাব্দী রায় জানান, জানুয়ারীতে তার ক্লাস শুরু হবে। সেখানে সে মাস্টার্স করবে এবং কোনো টিউশন ফি দিতে হবেনা। তার স্কলারশীপের অর্ধেক টাকা আসবে গ্র‍্যাজুয়েশন এসিস্ট্যান্সশীপ থেকে। বাকি অর্ধেক সে পাবে প্রফেসরের রিচার্স এসিস্ট্যান্ট হিসেবে।

শিক্ষার্থীর এ সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে লিডিং ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য শ্রীযুক্ত বনমালী ভৌমিক বলেন, মানসম্মত শিক্ষা প্রদান এবং গবেষণায় এ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় গুরুত্ব দিয়ে আসছে। যার ফলে এখান থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এর আগেও ফুলব্রাইটসহ অনেক সম্মানজনক স্কলারশীপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণা করতে উন্নত বিশ্বে গমন করেছেন। এ কৃতিত্বের জন‍্য তিনি ইইই বিভাগকে সাধুবাদ জানান এবং এই ধারাবাহিকতা অব‍্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব‍্যক্ত করেন।

শতাব্দী রায়ের এ সাফল্যে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রুমেল এম এস রহমান পীর জানান, লিডিং ইউনিভার্সিটি থেকে গত বছর সিজিপিএ ৩.৬৪ পেয়ে ইইই তে অনার্স পাস করেছে এই মেধাবী শিক্ষার্থী। তিন শিক্ষার্থী শতাব্দী, তাসনোভা এবং পাপনের ফাইনাল ইয়ারে থিসিসের জন‍্য লিখা রিচার্স পেপার ২০১৯ সালে বিশ্বখ্যাত রিসার্চ পাবলিশার ‘স্প্রীংজার পাবলিকেশন’ এ পাবলিশ হয়েছিলো। তাছাড়া শতাব্দী রায় আইইএলটিএস-এ ৬.০ পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, লিডিং ইউনিভার্সিটি শিক্ষার মানে পাবলিক ইউনিভার্সিটির সাথে পাল্লা দিচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। আজ শতাব্দী রায়ের সাফল্য তারই প্রমাণ। যারা একসময় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে ভর্তি হয়েছে- তাদের সকলের জন্য শতাব্দীর এ সাফল্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। 


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ