আইন মানছে না অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, আসছে কঠোর ব্যবস্থা

২৯ মে ২০২২, ০৮:২৪ AM
আইন মানছে না অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

আইন মানছে না অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

অনুমতি পেলেও শিক্ষা কার্যক্রম চালু না করতে পারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মামলার কারণে বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাময়িক অনুমতির মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনবিহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাসহ নেওয়া ব্যবস্থার বিষয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

গত ১০ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা পাঠানোর জন্য বলা হয়। সূত্র জানায়, ১২ বছর পার করে দেওয়ার পরও স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম স্থানান্তর করতে না পারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ডিসেম্বরের পর ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে, অনুমতিও বাতিল হবে।

ইউজিসি বলছে, ২০১৬ সালে অনুমতি পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও এখণো শুরু করেনি শিক্ষা কার্যক্রম। ২০১৮ ও ২০২০ সালে অনুমতি পাওয়া  বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে। অনুমোদন নিয়েও  শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেনি চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো ২০২০ সালের ১৬ জুন ঢাকার জন্য অনুমতি পাওয়া মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি, ২০১৮ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠার অনুমতি পাওয়া শাহ মখদুম বিশ্ববিদ্যালয়, ২০১৬ সালের ৭ জুন নারায়ণগঞ্জের জন্য অনুমতি পাওয়া রূপায়ন-একেএম শামসুজ্জোহা ইউনিভার্সিটি এবং ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল রাজশাহীর জন্য অনুমতি পাওয়া আহ্‌ছানিয়া মিশন ইউনিভার্সিটি।

আদালতে মামলা-মোকদ্দমার কারণে ইউজিসি বন্ধ রেখেছে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো ইবাইস ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান বাংলাদেশ (আমবান) ইউনিভার্সিটি, দি কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ও কুইন্স ইউনিভার্সিটি। তবে আইনের ফাঁক-ফোঁকরে এগুলো চলার তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউজিসি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সরকার থেকে পরিচালনার অনুমতি নিয়েও বছরের পর বছর চালু করছে না। কী কারণে এবং কেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছে না, তা সরকার জানতে চায়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে সাময়িক অনুমতি দেওয়া হয়। পুরোনো আইনে পাঁচ ও পরের আইনে সাত বছর সময়সীমা। ১২ বছর পার করেও যারা নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে ব্যর্থ হয়েছে, চাওয়া হয়েছে তাদের তালিকাও।

আরো পড়ুন: আইইউটির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ইউজিসি সূত্র জানায়, ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও পুরোপুরি স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি এমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ২২টি। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব শিক্ষা কার্যক্রম নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থান্তান্তর করতে হবে। না হলে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাসের বাইরের অন্যান্য ভবন বা ক্যাম্পাস অবৈধ বিবেচিত হবে।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, এই ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই। মন্ত্রণালয় তালিকা চেয়েছে, দেওয়া হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন বলেন, জমি কেনা থেকে শুরু করে স্থায়ী ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নে অনেক অর্থের প্রয়োজন। করোনার দুই বছরে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিক সংকটে পড়েছে। ফলে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারেনি।

বাউফলে ভোট চাওয়া নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত-২
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
রুয়েটে প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিযোগিতা টেক ফেস্ট অনুষ্ঠিত
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কমপাউন্ডে ককটেল বিস্ফোরণ
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
সরকারের ঋণ নিয়ে ঢাবি অধ্যাপকের ছড়ানো তথ্য সঠিক নয়
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
‘নির্ধারিত সময়ের আগে সরকারি বাসা ছেড়েও মিডিয়া ট্রায়ালের শিক…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুরে সেই জামায়াত নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬