© সংগৃহীত
আত্মহত্যা করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা আফরিন সুমি। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নিহত সুমি নগরীর ফুলবাড়ি গেট মিরেরডাঙ্গা এলাকার ইউনুচ আলীর মেয়ে।
তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও ওই ছাত্রীর ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ স্টোরিতে দেখা যায়, প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছিলেন মৃত্যুর এক ঘণ্টা আগে।
তার সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সব সময় নিজে হাসিখুশি থেকে অন্যদেরও হাসিখুশি রাখতেন।
তবে সহপাঠীদের ধারণা, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া নিয়ে হতাশায় ভুগছিলেন সুমি। মাঝেমধ্যে তাদের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে ঝামেলা হতো তবে সেগুলো আবার মিটে যেত। হঠাৎ কাউকে কিছু না জানিয়ে আত্মহত্যা করায় সহপাঠীরা হতবাক।
ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং ডিসিপ্লিন থেকে জানা যায়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-১৯ সেশনে ভর্তি হলেও পরবর্তী ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন সুমি। তিনি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বর্তমানে তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশ ঘরে রয়েছে। আগামীকাল শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তার লাশ দাফন করা হবে।
নগরীর খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, শিক্ষার্থীর বাবা লিখিত অভিযোগে বলেছেন খাওয়া-দাওয়া করত না এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া ও কথাকাটি হয়। এরপর ওই ছাত্রী শুক্রবার দুপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এমন একটি মামলা হয়েছে।