দাবি না মানলে অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না ববি শিক্ষার্থীরা

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৪:০৪ PM
মহাসড়ক অবরোধ। বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে (ইনসেটে।

মহাসড়ক অবরোধ। বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে (ইনসেটে। © সংগৃহীত

রাতের আঁধারে সশস্ত্র হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন রবিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাতটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন তাঁরা। বেলা সাড়ে ১১টায় চলমান সংকট নিরসনে বৈঠকে বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল।

বৈঠকে প্রতি তিন দফা দাবি তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। এই দাবিগুলো আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছেন। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে -ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার পদক্ষেপ গ্রহণ, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করা এবং অনাবাসিক সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা বিধানে পদক্ষেপ নেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা মিলনায়তনে এই বৈঠকে উপাচার্য মো. ছাদেকুল আরেফিন এসব দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রায় এক ঘণ্টা আলোচনার পর বৈঠক শেষ হলে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখেন। একই সঙ্গে তাঁরা রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান কর্মসূচিস্থলের দিকে অগ্রসর হলে কাঁঠালতলা এলাকায় তাঁদের মিছিলটি আটকে দেয় পুলিশ। সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ জলকামানসহ অবস্থান নিয়েছে।

উপাচার্য মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। আমরা শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শুনেছি এবং সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছি। প্রয়োজনে সব পক্ষের সঙ্গে বারবার বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সুব্রত কুমার দাস বলেন, শিক্ষার্থীরা দাবি আদায় না হওয়া অবধি অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি এবং এখনো তা অব্যাহত আছে। শিক্ষার্থীদের একটি দল রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান কর্মসূচি পালনের জন্য সেদিকে যাচ্ছে। সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ রয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা সেখানে গিয়েছেন, তাদের বোঝাচ্ছেন।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১১ শিক্ষার্থী আহত হন। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে নগরের রূপাতলী হাউজিং এলাকার কয়েকটি সড়কে শিক্ষার্থীদের মেসে এসব হামলা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের অবরোধে আটকে পড়া একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে যাত্রীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বেলা ১১টার দিকে কুয়াকাটা এক্সপ্রেস নামে অবরোধে আটকা পড়া বাসটিতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সড়ক অবরোধের কারণে বরিশাল থেকে বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা ও কুয়াকাটার অভ্যন্তরীণ পথ এবং ঢাকাসহ অন্যান্য দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ আছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে বাসশ্রমিকেরা মারধর ও লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন মহাসড়ক অবরোধ করার জের ধরে পরিবহনশ্রমিকেরা এই হামলা চালান।

কক্সবাজারে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে মুখোশধারীদের তাণ্ডব, লুট ৫…
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেপ্তার
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
কাজে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে প্রাণ গেল যুবকের, আহত ২ বন্ধু
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
ইশরাকের পদত্যাগ অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, সামনে বৃহত্তর দায়িত্ব …
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজার রিসোর্টে আগুনে নিহতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষ…
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
পূজা দেখতে বেরিয়ে প্রাণ গেল ভাই-বোনের
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬