জবির ইতিহাসে প্রথম আবাসিক হল উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে চায় শিক্ষার্থীরা

১২ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪৯ PM
বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জবি

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জবি © টিডিসি ফটো

প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পর দেশের একমাত্র অনাবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তকমা ঘুচছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি)। উদ্বোধনের অপেক্ষায় ক্যাম্পাসের বিপরীত পাশে ছাত্রীদের জন্য নবনির্মিত আবাসিক হল। বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল নামে ১৬ তলা বিশিষ্ট ১ হাজার আসনের বিশালাকার ভবনটির নির্মানকাজ প্রায় শেষ। বিগত ১০ বছর ধরে নির্মানাধীন ভবনটি সকল কাজ শেষে এখন ছাত্রীদের থাকার উপযোগী বলে জানিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ।

চলতি মাসের ২০ তারিখে ১৫তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে হলটি উদ্বোধনের কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় যথাযথ স্বাস্থবিধি মেনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং বেলুন উড়িয়ে হলটির উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে উদ্বোধকের জায়গায় জবি ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের নাম লেখায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতার নামানুসারে হলটির নামকরণ করা হলেও প্রধানমন্ত্রীকে কেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে রাখা হয়নি এমন প্রশ্ন তুলেছেন জবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেসার নামে। করোনাকালীন অনাড়ম্বরভাবে হলেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা উদ্বোধন হলে জবি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি পাওয়া হত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিকভাবে চাইলেই সম্ভব।

এ ব্যাপারে জবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হল এবং তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাতার নামে তাই প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমেই তা উদ্বোধন করা উচিৎ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর অবদান সর্বাধিক। এছাড়া এখন পর্যন্ত জবির কোন ফলকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম নেই। তাই তার মাধ্যমে হলের উদ্বোধন করে তাকে কৃতজ্ঞতা জানানো উচিৎ।

শিক্ষার্থীদের মতে, প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হলে অবশ্যই তিনি হলটি নিজে উদ্বোধন করবেন। কোন কারণে অপারগ হলে কমপক্ষে শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধন করা হোক।

এদিকে হলের প্রভোস্ট ড. আনোয়ারা বেগম একই প্রশ্ন রেখে বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে কেন হলের উদ্বোধক হিসেবে রাখেনি ভিসি? যেখানে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের প্রকল্প ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ চাইলে কি তিনি হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতেননা? অবশ্যই থাকতেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ওই হলের উদ্বোধক হিসেবে রাখা যেত কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, হল উদ্বোধন কে করবে না করবে সেটা তো বিজ্ঞপ্তিতেই বলে দেওয়া হয়েছে। সেটাই ফাইনাল। এ নিয়ে কে কি লিখছে (বলছে) তাতে আমার কিছু যায় আসেনা, সেটা তাদের বিষয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর হলটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরের বছর ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর ৯ম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে এটির নির্মাণকাজের শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের তৎকালীন চেয়্যারম্যান অধ্যাপক ড. এ. কে. আজাদ চৌধুরী।

নুরের আসনে বিলুপ্ত দুই উপজেলায় বিএনপির নতুন কমিটি
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনার দুই আসনেই জয়ের আভাস বিএনপির
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শাবিপ্রবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি শুরু
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তাহেরীর অফিসে প্রশাসনের তালা
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা: স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গ্রেপ্তার
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাবে: মহিউদ্দিন খান
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬