জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের চলমান সংকটের মধ্যে সভাপতি ছাড়াই চলছে সংগঠনটি। এরিমধ্যে সাত হলের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে সংগঠনটির কল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়কগুলোর সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্পিড ব্রেকারগুলোতে সাদা রং দিয়ে সংস্কারের শুরু করা হয়।
রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির হল শাখা নেতাকর্মীদের উদ্যোগে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কের স্পিড ব্রেকার গুলোতে রং দিতে দেখা গেছে।
সংস্কার কাজে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা জানান, ‘স্পিড ব্রেকারগুলো মরণ ফাঁদ হয়ে রয়েছে। সাধারণত সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে স্পিড ব্রেকার দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তাগুলোতে কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই অপরিকল্পিতভাবে স্পিড ব্রেকার তৈরি করা হয়েছে। যার কারণে রাতে এসব স্পিড ব্রেকারের কারণে দুর্ঘটনা সংগঠিত হচ্ছে। তাই আমরা চালকদের সতর্ক করতে রং করার উদ্যোগ নিয়েছি’।
এদিকে সংগঠনটির কল্যাণমূলক এ কাজে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের সড়কগুলোতে স্পিড ব্রেকার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। এছাড়া বিশেষ করে রাতের বেলায় যানবাহন চালকদের জন্য স্পিড ব্রেকার গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রলীগের এ উদ্যোগ তাদের জন্য সহায়ক হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ৭টি হলের নেতাকর্মীরা আলাদা কর্মসূচী পালন শুরু করে। এতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। পরে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। এমন অবস্থায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের মধ্যস্থতায় শান্ত হয় ছাত্রলীগের সাত হলের নেতাকর্মীরা।