রাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ

০৫ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:৫৯ PM

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধকালে (রাবি) শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের মারধর ও লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে। এতে ৪ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এছাড়া আন্দোলনকারী এক ছাত্রকে তুলে নিয়ে গেছে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

আটককৃত শিক্ষার্থীর নাম আবদুল্লাহ শুভ। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক। অন্যদিকে হামলায় আহতরা হলেন- আবদুল মজিদ অন্তর, মোর্শেদ, মাজহার ও শাহরিয়ার রিদম।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আন্দোলনকারীরা বিকেলে প্রধান ফটকে মানববন্ধনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যায়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীরা সংহতি জানিয়ে তাদের কর্মসূচিতে যোগ দেন।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে নানা স্লোগান দিতে থাকে। এসময় পুলিশ তাদের বেশ কয়েকবার বাধা দেয়। কিন্ত পুলিশের নিষেধ উপেক্ষা করে যানবাহন থামিয়ে দিলে পুলিশ তাদের উপর হামলা চালায় এবং তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে লাটিচার্জ করে। এসময় পুলিশের এক কর্মকর্তা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গাড়িতে হাত দিলে মামলার হুমকি দিতেও দেখা যায়। যদিও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যানবাহনে আঘাত বা হামলার করেনি।

পরে নগরীর মতিহার জোনের এসি (এসিস্ট্যান্ট কমিশনার) মাসুদ রানা এসে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বলেন। কিন্তু আন্দোলনকারীরা রাস্তা থেকে না সরে যানবাহনগুলোকে যেতে বাধা প্রদান করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় একজনকে আটক করে পুলিশ। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করেন পুলিশের সদস্যরা।

এ বিষয়ে মতিহার জোনের এসি মাসুদ রানা জানান, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের রাস্তা থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা না সরলে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। তবে একজন আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাই আমাদের (পুলিশের) উপর হামলা করেছে। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান তিনি।

হামলার শিকার আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কর্মসূচি পালন করছিলাম, পুলিশ বিনা উস্কানিতে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।এতে আমাদের ৪ জন সহযোদ্ধা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি কিন্তু এখনো পর্যন্ত প্রক্টর বা প্রশাসনের কেউ আমাদের কোন খোঁজ নেয়নি। নূন্যতম সৌজন্যবোধের পরিচয় তারা দিতে পারেনি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নায্য দাবি নিয়ে মাঠে দাঁড়িয়েছিলাম। আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যোগসাজশে তারা এ হামলা চালিয়েছে। রাতের মধ্যে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।’

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ইসহাক সরকার
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ফেসবুকে মতপ্রকাশের জেরে তুলে নেওয়া রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদের পু…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
শেষ বৈঠকের ছবি দিয়ে আপ বাংলাদেশকে বিদায় জানালেন রাফে
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, শিল্প উন্নয়ন ও দক্ষত…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় জামায়াতের আমিরের ক্ষোভ
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে প্রধানমন্…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬