জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি
প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ © টিডিসি সম্পাদিত
দেশব্যাপী শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে মডেল টিচিং পদ্ধতি তৈরির উপর জোর দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান যুগোপযোগী ও আনন্দময় করতে হলে বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক, চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আমরা পিছিয়ে যাবো। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শিক্ষাখাতে অন্যতম প্রধান স্টেকহোল্ডার হওয়ায় আমাদেরকেই এই ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সিনেট হলে ‘ডেভেলপমেন্ট অব আউটকাম-বেইসড এডুকেশন (OBE) কারিকুলাম’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আধুনিক ও কর্মনির্ভর কারিকুলামের কথা উল্লেখ করে প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা অপরিহার্য। আউটকাম বেজড এডুকেশন বা ওবিই কারিকুলাম প্রবর্তনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা ও সৃজনশীলতা অর্জনে সহায়তা করতে সক্ষম হবো।
ভাইস-চ্যান্সেলর আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি শিক্ষাক্রম তৈরি করা যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখবে এবং শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলবে। ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষকদের ভূমিকা হবে মুখ্য। তাঁদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC) আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি (IQAC)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল বক্তা হিসেবে আলোচনা উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IER)-এর প্রফেসর ড. এস এম হাফিজুর রহমান।
কর্মশালায় বক্তা ও অতিথিবৃন্দ আধুনিক ও যুগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ আউটকাম-বেসড এডুকেশন (OBE) কারিকুলাম প্রণয়ন ও এর কার্যকারিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান এবং কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।