রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় আহত সাংবাদিককে দেখতে রামেকে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি

০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৬ AM
 আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে শিবির সভাপতি

আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে শিবির সভাপতি © টিডিসি ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলায় আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক সাংবাদিককে দেখতে এসেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান। ঘটনার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

হামলায় গুরুতর আহত হন আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। এ ছাড়া আরও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

আহতদের মধ্যে একজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন ওই সাংবাদিককে দেখতে আসেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

এ সময় তিনি আহত সাংবাদিকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য অসুস্থ শিক্ষার্থীরও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাকসু ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ, ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান, রাজশাহী মহানগর সভাপতি ইমরান নাজির, সেক্রেটারি ডা. সাখাওয়াত হোসাইন, বায়তুল মাল সম্পাদক ডা. সাকিব রানা, মেডিকেল শাখার সভাপতি রমিজ মুত্তাকিন ও সেক্রেটারি আবিদ হাসান।

এদিকে হামলার ঘটনায় রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী ঘটনাটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিক ও ছাত্রদলের মধ্যে দূরত্ব তৈরির জন্য ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন।

তবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার পেছনে ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতার পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে হামলায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী হামলায় অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

আমজনতার তারেক রহমানের সমালোচকদের অধিকাংশই গুপ্ত ছিল
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
আমরণ অনশনে নার্সিং কলেজের ৩ শিক্ষার্থী
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
আমার দেশ পত্রিকার প্রেসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে আহত ২
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে পাওয়া গেল প্রতিষ্ঠিত ৪ সন্তানের মায়ের…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
টঙ্গীতে শিশু নিপীড়ন মামলা, সিসিটিভি ফুটেজসহ তথ্যপ্রমাণ সংগ্…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
স্ত্রী-সন্তানদের নিরাপত্তার শঙ্কায় গাজীপুর ছেড়েছেন রুমি
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬