দুই মাস ধরে বন্ধ বেরোবির ছাত্রী হলের ডাইনিং, নেই পর্যাপ্ত পাঠকক্ষ সুবিধা

১৩ মে ২০২৬, ১০:১২ PM
শহীদ ফেলানী হল

শহীদ ফেলানী হল © টিডিসি ফটো

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল শহীদ ফেলানী হলে পাঠকক্ষ সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিনই অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও ঈদের ছুটির পর থেকে প্রায় দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে হলের খাবার ব্যবস্থাও।

আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর বিভিন্ন দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল পাঠকক্ষের পরিসর বৃদ্ধি। এ বিষয়ে একাধিকবার হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হলেও প্রতিবারই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, বর্তমানে হল প্রশাসনের কার্যক্রম নতুন প্রভোস্ট ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফলে পুরোনো ভবনের যেসব কক্ষ আগে প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হতো, সেগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠকক্ষ হিসেবে বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। তবে এখন পর্যন্ত সে উদ্যোগ বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাঠকক্ষে মাত্র একটি কক্ষে পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। আগে সেখানে চেয়ার থাকায় প্রায় ১৮ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে বসে পড়তে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে চেয়ার সরিয়ে বেঞ্চ বসানো হয়েছে। এতে আসনসংখ্যা কমে এখন মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থী বসার সুযোগ পাচ্ছেন। অথচ হলটিতে আবাসিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪০ জনেরও বেশি।

শহীদ ফেলানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রেহানা আক্তার বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পায়। এরপরও আমরা ঠিকমতো পাঠকক্ষে বসে পড়াশোনা করতে পারি না। প্রায় সাড়ে তিনশ শিক্ষার্থীর জন্য পাঠকক্ষে বসতে পারে মাত্র ৮ থেকে ১০ জন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় আমাদের। আবার হলের খাবার ব্যবস্থা বন্ধ থাকায়ও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে হল প্রভোস্ট সিফাত রুমানা বলেন, ‘আমরা নতুন ভবনে আসার আগেই প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছিলাম কক্ষগুলোকে পাঠকক্ষ হিসেবে প্রস্তুত করার জন্য। পরে আবারও চিঠি দিয়েছি, যাতে কক্ষগুলো সংস্কার করে পড়াশোনার উপযোগী করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারপরও আমরা আবারও চিঠি দেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি এবং তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। খুব শিগগিরই পাঠকক্ষ চালু করার চেষ্টা করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

হলের খাবার ব্যবস্থা বন্ধ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরাও চাই খাবারের ব্যবস্থা চালু হোক। তবে মেয়েদের আগ্রহ কম থাকে। প্রতিদিন হয়তো পাঁচ থেকে সাতজন খাবার খায়, আবার কখনো দুই-তিনজন। তারা ৬০ টাকায় তিন বেলা খাবার খেতে চায়, যা বর্তমান সময়ে সম্ভব নয়। অনেকেই হিটারে রান্না করে খায়।’

‘গরিবের চিকিৎসাকেন্দ্র’র লাইসেন্স বাতিল করায় উদ্বেগ এনডিএফে…
  • ১৩ জুন ২০২৬
অভিনয় করে হলুদ কার্ড পেলেন প্যারাগুয়ের ফুটবলার
  • ১৩ জুন ২০২৬
নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির সেই কেন্দ্রীয় নেতা—নারী নি…
  • ১৩ জুন ২০২৬
ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখি, বিশ্বকাপ উপভোগ করি: ব্রাজিল সম…
  • ১৩ জুন ২০২৬
গোল উদযাপনে ব্রাজিলের বিতর্কিত নাচ নিয়ে মুখ খুললেন আনচেলত্তি
  • ১৩ জুন ২০২৬
বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা
  • ১৩ জুন ২০২৬
×