ক্যানসার-প্রতিরোধী ফল বিতরণ ও সচেতনতা ক্যাম্পেইন © টিডিসি ফটো
ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (সিসিআরটিবি) স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার ইবির উদ্যোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যানসার প্রতিরোধী ফল সচেতনতা, ফল বিতরণ এবং ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহের ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে এই কার্যক্রম শুরু হয়। ক্যানসার প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বেছে নিতে উৎসাহিত করা এবং ক্যান্সার রোগীদের সেবা ও চিকিৎসার সহায়তার জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এই ক্যাম্পেইন আয়োজিত হয়।
আয়োজকরা বলেন, ক্যান্সারকে নীরব ঘাতক বলা হয়। ক্যান্সার কীভাবে শরীরে তৈরি হয় তা অনেকের ই জানার বাহিরে। তবে প্রাকৃতিকভাবেই এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব, করা যেতে পারে ফল গ্রহণ করে। ক্যাম্পেইনটিতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ক্যানসার প্রতিরোধী বিভিন্ন ফল যেমন পেয়ারা, আপেল, আনারস, তরমুজ, শসা, লেবু ইত্যাদি কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এই ক্যাম্পেইনের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শ্রেণি, পেশা, বয়সের মানুষকে বিনামূল্যে এসব ফল খাওয়ানো হয়।
এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য জুবায়েদ হোসেন বলেন, আমাদের মতো তৃতীয় দেশগুলোতে ক্যান্সার জাতীয় চিকিৎসা অনেক কঠিন। আমরা স্টলে আনারস, কলা, শসা, পেঁপে ও আমসহ ক্যানসার প্রতিরোধী ফলগুলো রেখেছি। সকালবেলা খালি পেটে অস্বাস্থ্যকর নাস্তার পরিবর্তে যদি আমরা এই ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস করি, তবে ক্যানসার প্রতিরোধ সম্ভব। আমাদের লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায়ের মানুষকে সচেতন করা এবং আক্রান্তদের জন্য ফান্ড সংগ্রহ করা।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিআরটিবি সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর দেড় থেকে দুই লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে ৩০ শতাংশ মানুষ খাদ্যাভ্যাসের কারণে আক্রান্ত হয়ে থাকে। অসচেতনতার কারণে বিশ্বে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। 'খালি পেটে জল, ভরা পেটে ফল'—এই বার্তাটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা পরবর্তীতে হল-ভিত্তিক ক্যাম্প করার পরিকল্পনা করছি, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ফল সংগ্রহ করতে পারবে এবং তাদের স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থ ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসায় ব্যয় করা হবে।"