রাজশাহী কলেজের ১৫৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কেক কাটা হচ্ছে © টিডিসি
রাজশাহী কলেজে বুধবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে ১৫৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। আনন্দ শোভাযাত্রা, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে কলেজ প্রশাসন দিনটিকে উদযাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকমহলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১০টায় রাজশাহী কলেজ প্রশাসন কর্তৃক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপন করা হয়।
আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী। উদ্বোধনের পর বেলুন, ফেস্টুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু মোঃ ইউনুছ আলী এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ এবং অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া এ সময় কলেজের বিভিন্ন সহঃশিক্ষামূলক সংগঠনসমূহ এবং রাজনৈতিক সংগঠন এবং উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুভূতি ব্যক্ত করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রবিউল আলম মিন্টু বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মুহূর্তে আবারও অনুভব করলাম আমরা সত্যিই দেশসেরা কলেজের অংশ। রাজশাহী কলেজের প্রতিটি প্রাঙ্গণ যেমন পরিচ্ছন্ন, তেমনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সৃষ্টিশীলতায় অনন্য। ১৫৪ বছরের ঐতিহ্য আজও এই বিদ্যাপীঠকে গৌরবের শিখরে ধরে রেখেছে।এই অর্জন শুধু কলেজের নয়, আমাদের সবার গর্ব ও আনন্দের। এমন ঐতিহ্যের অংশ হতে পারা সত্যিই অন্যরকম এক অনুভূতির।’
কলেজ উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু মো. ইউনুছ আলী বলেন, ‘দেড় শতাব্দীর বেশি সময় ধরে রাজশাহী কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি গর্বের নাম। এই কলেজ থেকে বের হয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকেও আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা জরুরি। রাজশাহী কলেজ সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে।’
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী বলেন, ‘আজ আমাদের প্রিয় রাজশাহী কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবস একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। এই বিশেষ মুহূর্তে আমি রাজশাহী কলেজের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। একই সঙ্গে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই সব মহৎ শিক্ষকদের, যাদের নিষ্ঠা, ত্যাগ ও নিরলস পরিশ্রমের ফলেই আমাদের এই প্রতিষ্ঠান আজ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’