জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার ও এআই উদ্যোগের প্রশংসা ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সে

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৪৪ PM
ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য © সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনবলে রূপান্তর করতে কারিকুলাম পরিবর্তনসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নেয়া পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স এর সদস্য এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরা। 

২৬শে নভেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাথে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষা সহযোগিতা ও ডেটা সায়েন্স, মেশিন লারনিং, পাবলিক হেলথ এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তির নানাবিধ ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স একটি গোল টেবিল আলোচনার আয়োজন করে। এই আলোচনার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র এন্ডি বারনহাম, ওল্ডহ্যামের এমপি জিম ম্যাকমেহোন ও ওল্ডহ্যাম কাউন্সিলর জনাব আব্দুল জব্বার। 

হাউস অব কমন্সে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চ শিক্ষায় বাংলাদেশের ৭০% নিয়ন্ত্রণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ভাগ্যোন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা, এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল শিক্ষা অর্জনের কোন বিকল্প নেই। 

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার সাথে কারিগরি ও এআই শিক্ষা সহযোগিতা তৈরীর জন্য সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্রিটিশ হাউস অব কমন্স এর এই আলোচনা সভার সূচনা বক্তব্যে ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন বলেন, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ছাড়া কোন উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষার মান উন্নত করতে যা যা করা দরকার তা তিনি করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান সংস্কার কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

অনুষ্ঠানে গ্রেটার ম্যানচেস্টার বাংলাদেশ পার্টনারশিপের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার বলেন, আধুনিক কারিগরি ও ডিজিটাল শিক্ষাই বাংলাদেশের জন্য এক আলোকিত ভবিষ্যৎ রচনা করতে পারে। স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল এনগেজমেন্ট এর পক্ষে অধ্যাপক নিক বিচ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ করতে আগ্রহী স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটি। 

স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির ডাটা সায়েন্সের অধ্যাপক ড. মো সারে বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সবরকম সহযোগিতা প্রদান করতে আমরা প্রস্তুত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি নূরানী রোপমা, মি. মুবিন খান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাউথ এশিয়ার ডাইরেক্টর ডেভিড নকস, স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির ডিন ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ভিকি, ব্রিটিশ কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক পল ও ব্রিটিশ শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের মি. জনাতন, মিস লুচি সহ ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। বক্তারা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের কাজে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন। 

কল্পনাও করিনি গানটি এত সমাদৃত হবে— দাঁড়িপাল্লার গান নিয়ে যা…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ইউআইইউতে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
আইইউবিএটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ডিআইএমএফএফ ও ইনফিনিক্সের উদ্যোগে ‘প্রাউড বাংলাদেশ’ মোবাইল ফ…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা চট্টগ্…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9