চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। © ফাইল ফটো
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা ধর্মঘটের কারণে বিগত দুইদিন বন্ধ ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন। এদিকে ধর্মঘটের প্রথমদিন এক সহকর্মী লোকমাস্টারকে অপহরণের অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে চট্টগ্রামে লোকোমাস্টার (ট্রেন চালক) সমিতি ধর্মঘট করায় চবির শাটল ট্রেনের শিডিউলে বিপর্যয় ঘটে।
এর আগে সোমবার বিকেলে চবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে উপাচার্যের আশ্বাস পেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার যথারীতি শাটল ট্রেন চলার কথা থাকলেও সারাদিনের শিডিউল বিপর্যয়ে ভোগান্তির শিকার হন শাটল ট্রেন ব্যবহারকারী শতশত শিক্ষার্থী। এদিন সকাল থেকে চারবার ট্রেন আসা যাওয়ার কথা থাকলেও মাত্র একবার আসা যাওয়া করেছে শাটল ও ডেমু ট্রেন। এসব যাওয়ায় নির্দিষ্ট কোন শিডিউল ছিল না। এর মধ্যে সকাল ১০:২০ মিনিটে একটি ট্রেন নগরীর বটতলী স্টেশন থেকে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, এবং দুপুর ১:৫০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা ট্রেন শহরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এছাড়া বিকেল তিনটায় শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে একটা ট্রেন ছেড়ে যায়।
এদিকে সময়মত ট্রেন চলাচল না করায় স্টেশনে অপেক্ষারত দেখা যায় হাজারো শিক্ষার্থীকে। পরে ট্রেন না পেয়ে শিক্ষার্থীদের বিকল্প ব্যবস্থায় বাসায় ফিরে যেতে হয় অনেককে। এছাড়া ক্যাম্পাস থেকেও শহরে ফিরতে ভোগান্তি পোহাতে হয় শিক্ষার্থীদের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ষোলশহর স্টেশন মাস্টার (ভারপ্রাপ্ত) তন্ময় চৌধুরী বলেন, গত দুইদিন ক্যাম্পাসে ঝামেলা হওয়ায় ট্রেন চলাচলে ভিঘ্ন ঘটেছে। ধর্মঘটের প্রথমদিন আমাদের এক লোকমাস্টারকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর থেকে নিরাপত্তাজনিত কারণে শিডিউলে এমন বিপর্যয় হয়েছে।
চবির সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, চালকদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব দ্রুত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।