স্বর্ণপদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. এমদাদুল হক © টিডিসি ফটো
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা দিতে আসা মো. এমদাদুল হক অপহরণের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চবি প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যায় কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।
কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হেলাল উদ্দিনকে প্রধান এবং সহকারী প্রক্টর মিজানুর রহমান ও লিটন মিত্রকে সদস্য করে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারি প্রক্টর হেলাল উদ্দিন বলেন, তদন্ত কমিটি আগামী রবিবার বসে সিদ্ধান্ত নিবে কোন কোন বিষয়ে তদন্ত করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা দিতে ক্যাম্পাসে আসেন চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. এমদাদুল হক। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বেই ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে মারধর করে। এতে মৌখিক পরীক্ষার নির্ধারিত সময় পার হলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি এমদাদুল। মারধরের পর তাকে শিবির আখ্যায়িত করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় অপহরণকারীরা। ফলে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি এমদাদুলের।
এদিকে গত ৩১ মার্চ দুপুরে ৭ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমির আদালতে মামলা দায়ের করেন এমদাদুল। বাদী এমদাদুল ময়মনসিংহ গৌরিপুর থানার মো. আজিজুল হকের ছেলে এবং সে চবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের শিক্ষার্থী।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের ছাত্র আনোয়ার হোসেন, আসিফ মাহমুদ শুভ, মোকসেদ আলী ওরফে মীলু প্রামানিক, ২০১৩-১৪ সেশনের জাহিদুল হাসান, রফিকুল ইসলাম, ২০১৪-১৫ সেশনের আসির উদ্দিন ও ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শরিফ উদ্দিন।