চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বৃহ:বার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আলোচনা সভা শেষে প্রশাসনিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কর্মসূচি গুলোর মধ্যে রয়েছে- গণহত্যা দিবস স্মরণে ২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চত্বরে আলোচনা সভা ও মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা। পাশাপাশি, এ দিবস স্মরণে রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সব ধরণের বাতি বন্ধ রাখা হবে। ২৬ মার্চ রাত ১২.০১ মিনিটে (২৫ মার্চ দিবাগত রাতে) চবি স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভ চত্বরে চবি বিএনসিসি কর্তৃক বিউগল বাজিয়ে স্বাধীনতা দিবসকে স্বাগত জানানো হবে। ২৬ মার্চ ফজরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ও অন্যান্য মসজিদসমূহে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত ও দেশের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্ব-স্ব উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।
একইদিন সকালে প্রশাসনিক ভবন, চাকসু ভবন ও হলসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ২৬ মার্চ সকাল ৮ টায় চবি স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে। এরপর চবি বঙ্গবন্ধু চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ ও ২নং গেইট ও প্রশাসনিক ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে ২৬ মার্চ ২০১৯ সকাল ৬.৪৫ মিনিটে ৩টি বাস চট্টগ্রাম শহরস্থ আগ্রাবাদ ও নিউমার্কেট থেকে ছেড়ে চবি ক্লাব (শহর) হয়ে কম্বাইন্ড রুট অনুসরণ করে ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানস্থলে আসবে এবং সকাল ৭.৩০ মিনিটে ২টি বাস চবি পরিবহন দপ্তর থেকে ছেড়ে মার্কেটিং রুট অনুসরণ করে অনুষ্ঠানস্থলে আসবে। অনুষ্ঠান শেষে বাসগুলো যথারীতি ফিরে যাবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুষ্ঠানমালায় অংশগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজক কর্তৃপক্ষ।