একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকাল থেকেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের সংগঠনগুলো। এ দিন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের উপস্থিতিতে মুখরিত হয় শহীদ মিনার চত্বর।
ভাষা দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু-কিশোর বান্ধব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে বেশকিছু ইভেন্ট হাতে নিতে দেখা যায়। এর মধ্যে ‘প্রসপেক্ট অব বাংলাদেশ’র ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও এর আগে পরের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এ ছাড়া ভাষা দিবস সংবলিত কুয়েজ প্রতিযোগিতা, সুবিধা বঞ্চিতদের খাবার বিতরণ, শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ছিলো অন্যতম।

এদিকে সকাল থেকেই বিভিন্ন সংগঠন এবং ডিপার্টমেন্ট র্যালি শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শহীদ মিনারে এসে মিলিত হয়। এ সময় পুষ্পমাল্য হাতে প্রখর রোদের মধ্যেও লাইন ধরে অপেক্ষা করতে দেখা যায় তাঁদের। দূর থেকে দীর্ঘ সারি দেখে যে কেউ বিরক্ত হলেও সারিতে অপেক্ষারতরাই বলেছেন ভিন্ন কথা।
পুষ্পমাল্য হাতে দাঁড়িয়ে থাকা কোম্পানিগঞ্জ স্টুডেন্ট ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ বিন ফায়েজ বলেন, দীর্ঘক্ষণ রোদের মধ্যে অপেক্ষা করলেও সেটা খুবই সামান্য মনে হয়েছে। কারন, আমাদের মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছে, তাদের ত্যাগ এর চেয়ে হাজার গুনে বেশি ছিলো।

চবির প্রসপেক্ট অব বাংলাদেশ এর সদস্য এম আবিদ হাসান বলেন, ভাষা দিবসে ছোট ছোট সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সাথে নিয়ে ফুল দিতে এসেছি আমরা। আমাদের সামান্য কষ্ট শহীদদের ত্যাগের কাছে অনেক নগণ্য। আর শিশুদের নির্মল হাসির কাছে সব কষ্ট হার মেনে যায়।