বিশ্ববিদ্যালয় ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আমানতের উপর করের হার দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত

০৩ জুন ২০২৪, ১১:৫৬ AM , আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৫, ১২:৩৭ PM

© সংগৃহীত

সরকার আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে 'কম্পানি' হিসেবে বিবেচনা করে তাদের সঞ্চয়ী ও স্থায়ী আমানতের সুদ বা মুনাফার উপর ২০% কর আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে এই হার ১০%

এই সিদ্ধান্ত শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমালোচনা করছে। তারা মনে করেন এটি শিক্ষকদের উপর অযৌক্তিক করের বোঝা চাপিয়ে দেবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান নষ্ট করবে।

১৯৯৪ সালের কম্পানি আইনে সংজ্ঞায়িত কম্পানি, ব্যাংক-বীমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদেশি লিয়াজোঁ অফিস, রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস বা ব্রাঞ্চ অফিস, বিদেশি সত্তা বা ব্যক্তির স্থায়ী কোনো প্রতিষ্ঠান, শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠন, ফাউন্ডেশন, সমিতি, সমবায় সমিতি আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী কম্পানি। তাদের সঞ্চয়ী ও স্থায়ী আমানতের সুদ বা মুনাফার বিপরীতে ২০ শতাংশ করের বিধান রয়েছে।

এই তালিকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আগেই স্থান করে নিয়েছিল। এবার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও কম্পানির আওতায় ফেলে আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ২০ শতাংশ কর কর্তনের বিধান করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সরকার বা সরকারের অনুমোদনক্রমে তফসিলভুক্ত কোনো ব্যাংকের স্পন্সরকৃত কোনো ডিপোজিট পেনশন স্কিম থেকে এবং এনবিআরের বিশেষ আদেশে অব্যাহতিপ্রাপ্ত কোনো সত্তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য হবে না। তবে আগামী বাজেটে কম্পানির ২০ শতাংশ করহারের তালিকায় যুক্ত হবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষকদের আয় কমে যাবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও উন্নয়ন ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল কমে যাবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের ফি বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন 'কম্পানি' হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে?

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দাবি, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আয়কর আইনের আওতায় আসার যোগ্য। তারা যুক্তি দেন যে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো বড় আকারের আমানত রাখে এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মুনাফা অর্জন করে। সরকার এই কর আদায়ের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধি করতে চায়।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে কর না বাড়িয়ে শিক্ষাবিদরা সরকারকে নতুন করদাতা শনাক্ত করে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তারা মনে করেন, করের হার বৃদ্ধি করার পরিবর্তে সরকার উচিত করের আওতায় আসা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমি এ বিষয়টি এখনো পরিষ্কারভাবে জানি না। এমনিতে টাকার সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে কষ্ট হয়। বাজেটে করের বিষয়টি বিস্তারিত জেনে তারপর মন্তব্য করবো।  

অনুমোদন ছাড়া বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহারে বেকারীতে সিলগালা
  • ০১ জুলাই ২০২৬
ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন হালান্ড
  • ০১ জুলাই ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বর্ধিত বাড়ি ভাড়া কার্যকর আজ থেকে
  • ০১ জুলাই ২০২৬
গলায় বাদাম আটকে প্রাণ গেল শিশু মানহার
  • ০১ জুলাই ২০২৬
বছরজুড়ে অনলাইনে দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন, না দিলে বিপদে পড়বে…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
পাবিপ্রবির কর্মচারীদের প্রশাসনিক শিষ্টাচার বিষয়ে দিনব্যাপী …
  • ০১ জুলাই ২০২৬