কোরিয়ায় উৎসবে দেশি খাবার প্রদর্শন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের

১৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৫:৪৪ PM , আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০২:৪৫ PM
সুনচন ফুড অ্যান্ড আর্ট ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি স্টল

সুনচন ফুড অ্যান্ড আর্ট ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি স্টল © টিডিসি ফটো

মাতৃভূমির প্রতি মানুষের একটা অন্যরকম টান থাকে। এই টান আরো তীব্র হয় যখন পড়াশোনা কিংবা জীবিকার তাগিদে মাতৃভূমি ছেড়ে যেতে হয় দূর-দূরান্তে। বিদেশের মাটিতে মাতৃভূমির নাম দেখলে বা শুনলে তখন গর্ব অনুভূত হয়। ইচ্ছে করে মাতৃভূমির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অন্যদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে। ফুটিয়ে তুলতে মাতৃ ঠিকানার পরিচয়। মাতৃভূমির প্রতি টান থেকেই পড়াশোনা, গবেষণা কিংবা কাজের জন্য বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা তাই সুযোগ খোঁজেন দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার, হৌক সেটা দেশীয় খাবার কিংবা কোন শিল্প’র মাধ্যমে। তেমনি এক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগালেন দক্ষিণ কোরিয়ায় অধ্যয়নরত চার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। 

দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত সুনচন ফুড অ্যান্ড আর্ট ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরেন সুনচন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কামরুল, শরিফ, অভিজিৎ ও উজ্জ্বল। তারা উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মুরগির বিরিয়ানি, মুরগির কাবাব এবং পায়েশ এই তিন ধরনের খাবার পরিবেশন করেন। গত ৭ থেকে ৯ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার সুনচন শহরে চলে তিনদিন ব্যাপী এই খাদ্য ও শিল্প উৎসব।

্রিওুিরা
        ছবি: উৎসবে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার

জানা যায়, প্রতি বছর শরৎ মৌসুমের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সুনচন পৌরসভা এই খাদ্য ও শিল্প উৎসবের আয়োজন করে। সুনচনের অন্যতম এই বৃহৎ উৎসবে বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও শিল্প প্রদর্শন করা হয়। এই উৎসবে অংশগ্রহন করতে ভীড় জমায় স্থানীয় কোরিয়ান ও সেখানে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। 

বাংলাদেশি এই শিক্ষার্থীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে এই উৎসবের কথা জানতে পারেন তারা। পরবর্তীতে আয়োজকদের কাছে স্টলের জন্য আবেদন করলে পেয়ে যান অনুমতিও। এবারের উৎসবে বাংলাদেশ ছাড়াও ভিয়েতনাম, ভারত, নেপাল, কলম্বিয়া এবং পেরুর ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল ছিল।

এবারের উৎসবে আগত দর্শকরা মুরগির বিরিয়ানি, কাবাব এবং পায়েশ এই তিন ধরনের বাংলাদেশি খাবারের মধ্যে মুরগির বিরিয়ানি বেশি পছন্দ করেছেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি মুরগির বিরিয়ানি খেতে উৎসবের প্রতিদিনই এসেছিলেন বাংলাদেশি স্টলে। এছাড়াও সুনচন বিশ্ববিদ্যালয়ের আমেরিকান অধ্যাপক দুইদিন এসেছিলেন বাংলাদেশি বিরিয়ানি খেতে। তবে তরুনরা তুলনামূলক মুরগির কাবাব বেশি পছন্দ করেছেন বলে জানান তারা।

উৎসবে বাংলাদেশি খাবার পরিবেশনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে কামরুল হাসান বলেন, এই উৎসবে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে পারাটা আমাদের জন্য গর্বের। কারণ এই উৎসবে শুধু কোরিয়ানরাই নয় অন্যান্য বিদেশীরাও বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পেরেছে। 

উৎসবে আগতদের মধ্যে প্রায় পাঁচশজন ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারগুলো খেয়েছেন এবং সবাই বাংলাদেশি খাবারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বলে জানান এই শিক্ষার্থীরা। তারা উৎসবে আমন্ত্রণের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও তারা এই অনুষ্ঠানের আগত দর্শকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

প্রতিদিন দুপুর একটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলা এই উৎসবে খাবারের পাশাপাশি চলে শিল্প প্রদর্শনী। তিনদিন ব্যাপী এই উৎসবে প্রায় ছয় হাজার মানুষ অংশগ্রহন করে।

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে ৮ কোচের বিদায়ঘণ্টা
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
১০০০ জনবল নিয়োগ দেবে আরআরএফ
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
জুড়ী সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে পুশইন
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
বিতরণের আগেই পচা ডিম শনাক্ত, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত ব…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৯৫
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence